বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে তিস্তা
উজানের স্রোত আর ভারি বৃষ্টির কারণে তিস্তার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে।
বুধবার ভোরে পানি বাড়তে শুরু করায় কয়েক গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা-পূর্বাভাস সতর্কীকরণ কেন্দ্রের উপ-সহকারী প্রকৌশলী এসএম আমিনুল রশীদ বলেন, উজান থেকে আসা স্রোত আর ভারি বৃষ্টির কারণে তিস্তায় পানি বাড়তে শুরু করে।
“সকাল ৬টায় বিপদসীমা অতিক্রম করে ২৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।”
পরে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ৮ সেন্টিমিটার কমে যায় বলে তিনি জানান।
অতিরিক্ত পানির কারণে নদীর তীরবর্তী ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার অন্তত ৮টি ইউনিয়নের ১৫ গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে বলে জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ বলেন, মঙ্গলবার রাত থেকে নদীতে পানি বাড়তে থাকে। সকালে পূর্বছাতনাই ও ঝাড়সিঙ্গেশ্বর মৌজা প্লাবিত হয়। এতে তিন শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে।
পরে পানি নেমে যায় বলে তিনি জানান।
একই উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন বলেন, তিস্তার পানি বাড়ার সাথে সাথে চরখড়িবাড়ি গ্রাম প্লাবিত হয়। এ সময় স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত ১০০০ মিটার বালির বাঁধের অন্তত ১০০ মিটার ধসে গেছে।
বন্যা-পূর্বাভাস সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রকৌশলী আমিনুল বলেন, তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি কপাটের সবকটি খুলে দিয়ে পানি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে।
অপরদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা অববাহিকায় ১০৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
