চোরকে না দেওয়ায় পুলিশকে অবরুদ্ধ
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় গরু চুরির অভিযোগে আটক এক ব্যক্তিকে গ্রামবাসীর হাতে তুলে না দেওয়ায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার পর পুলিশকে অবরুদ্ধ করার ঘটনা ঘটেছে।
পরে অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে ইউএনও ওই পুলিশদের উদ্ধার করেন এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতে আটক ব্যক্তিকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন।
শুক্রবার পাঁচবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে বড়াইগ্রাম থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান।
ওসি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে নিতাইনগর গ্রামের জালাল উদ্দিন ও আলমগীর হোসেনের বাড়ি থেকে দুটি গরু চুরি হয়। পরে তারা পাঁচবাড়িয়া গ্রামের হাসু মোল্লার বাড়ি গিয়ে তাদের গরু দুটি দেখতে পান।
“খবর ছড়িয়ে পড়লে কয়েক হাজার লোক উপস্থিত হয়ে গরুগুলো উদ্ধার করে এবং গোয়ালঘরে ভাঙচুর চালায়।”
পুলিশ গিয়ে হাসু মোল্লাকে আটক করে। কিন্তু এলাকাবাসী তাকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে মারমুখো হলে পুলিশের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয় বলে ওসি মনিরুল জানান।
তিনি বলেন, এক পর্যায়ে লোকজন পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে। শুক্রবার দুপুরে ইউএনও রুহুল আমীন অতিরিক্ত পুলিশসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করেন।
“এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে হাসু মোল্লাকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন।”
নিতাইনগর গ্রামের আমেন উদ্দিন বলেন, গোপালপুর, নগর ও চান্দাই ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে গত ছয় মাসে কমপক্ষে ৩০টি গরু চুরি হয়েছে। পুলিশ চোর শনাক্ত করতে পারে না। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।
বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই আশরাফুর জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ওই চোরের এক বছরের কারাদণ্ড হলেও তাকে সিংড়া থানার একটি নিয়মিত মামলায়ও গ্রেপ্তার দেখানো হবে।
