১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কলাপাড়ায় ভোটের প্রচারে আলতাফ হোসেনের গাড়িতে হামলা

পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌরসভায় বিএনপির মেয়র পদপ্রার্থীর পক্ষে ভোটের প্রচারের সময় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরীর গাড়িবহরে হামলা হয়েছে।

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 22 Dec 2015, 01:01 PM

Updated : 12 Oct 2022, 04:43 PM

Image
হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি গাড়ি
Image
ফাইল ছবি

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে কলাপাড়া পৌর শহরের রহমতপুর এলাকায় এ হামলা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

জেলা বিএনপি নেতারা দাবি করছেন, হামলায় আলতাফ হোসেনের স্ত্রী বেগম সুরাইয়া চৌধুরীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

এ সময় হামলাকারীরা কয়েকজন সাংবাদিকের ক্যামেরা কেড়ে নিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দেয়।   

কলাপাড়া থানার ওসি আজিজুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “কারা হামলা করেছে তা সঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে চারটি গাড়ির সামনের কাচ ভাংচুর করা হয়েছে।”

আহতদের বিষয়েও তিনি কিছু জানাতে পারেননি।

জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবর রহমান টোটন বলেন, কলাপাড়া পৌরসভায় বিএনপি সমর্থিত মেয়র পদপ্রার্থী হুমায়ুন সিকদারের প্রচারণার জন্য পটুয়াখালী থেকে আলতাফ চৌধূরীর গাড়ি বহর কলাপাড়া শহরে যাচ্ছিল।

“শহরের প্রবেশ পথে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বিপুল হালদারের লোকজন গাড়িবহরে অতর্কিতে হামলা চালিয়ে আলতাফ হোসেনের গাড়িসহ বহরে থাকা অন্তত পাঁচটি গাড়ি ভাংচুর করা হয়।”

Image
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

টোটন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, তিনি নিজে, আলতাফ হোসেনের স্ত্রী বেগম সুরাইয়া চৌধুরী, জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক দুলাল মাতবর, যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক মো. আরিফুল ইসলামসহ অন্তত ১০ জন হামলায় আহত হয়েছেন।

আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানান টোটন।

বৈশাখী টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি আব্দুস ছালাম আরিফ বলেন, হামলাকারীরা তার মোবাইল ফোন, যমুনা টিভির জেলা প্রতিনিধি জাকারিয়া হৃদয়ের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয় আওয়া লীগ মেয়র প্রার্থীর লোকজন।

“এ সময় কালের কণ্ঠের পটুয়াখালী প্রতিনিধি এমরান হাসান সোহেলসহ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন।”

তাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা পরে ফিরিয়ে দেওয়া হয় বলে আরিফ জানান।

হামলার ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বর্তমান পৌর মেয়র এসএম রাকিবুল আহসান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, তিনি আওয়মী লীগ প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে নেই। তাই এ বিষয়ে শহর আওয়ামী লীগের নেতারা ভালো বলতে পারবেন।

এছাড়া তিনি একটি সভায় থাকায় হামলার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে শোনেননি বলেও দাবি করেন।

শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মাসুম বেপারী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এটি আলতাফ হোসেনের সঙ্গে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা এবিএম মোশারফ হোসেনের কোন্দলের কারণে হয়েছে।”

কিন্তু সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা ছাত্রলীগ-যুবলীগের ছেলেদের কাছ থেকে ফেরত এসেছে জানানো হলে তিনি এ ব্যাপারে কিছু জানেন না বলে দাবি করেন।