চাটখিলে আ. লীগ কর্মীকে নির্যাতনে হত্যা, আটক এক
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় স্থানীয় এক আওয়ামী লীগকর্মীকে অপহরণের পর নির্যাতন চালিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নিহত আহম্মেদ উল্লাহ ওরফে দুলাল পাটোয়ারী (৬০) উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামের মৃত আবদুল খালেকের ছেলে।
নিহতের স্বজনরা জানান, শনিবার সন্ধ্যায় দুলাল পাটোয়ারী নিখোঁজ হন। রোববার সকালে তাকে আহত উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার তার মৃত্যু হয়।
চাটখিল থানার ওসি নাসিম উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সায়ীদুল হক পাটোয়ারী বাদী হয়ে মঙ্গলবার অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে স্থানীয় নাখিল (২০) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
নিহতের ছেলে সায়ীদুল হক পাটোয়ারী জানান, তার বাবা দীর্ঘদিন সৌদী আরব থাকার পর ২০০৬ সালে দেশে ফিরে কৃষিকাজ ও মাছচাষ করে আসছিলেন।
তিনি আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন বলে জানান সায়ীদুল।
তিনি জানান, গত শনিবার বিকালে স্থানীয় বানসা বাজারে যান তার বাবা। ওইদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। রাতে বাড়ি ফেরেননি।
“রোববার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে গ্রামের বেড়িবাঁধের পাশে তাকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়।
“সেখান থেকে পরিবারের সদস্যরা উদ্ধার করে প্রথমে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।”
সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফেনীর দাগনভূঁঞা এলাকায় তার মৃত্যু হয় বলে জানান সায়ীদুল।
সায়ীদুলের অভিযোগ, তাদের গোষ্ঠীর অন্যদের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে তার বাবার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ কারণে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে অপহরণের পর নির্যাতন চালিয়ে ফেলে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উদ্ধারের সময় তার বাবার শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্ত ও আঘাতের চিহ্ন দেখা যায় বলে জানান সায়ীদুল।
