Published : 16 Jul 2026, 04:35 PM
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় অটোরিকশায় গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে এক নারীকে তুলে নিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার পরদিন বুধবার সকালে ওই নারী চারজনের নামে মামলা করলে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয় বলে জানান বিশ্বনাথ থানার ওসি গাজী মাহবুবুর রহমান।
মঙ্গলবার রাতে উপজেলার অলংকারি ইউনিয়নের একটি গ্রামে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে বলে জানান তিনি।
কারাগারে যাওয়া প্রধান আসামি গয়াছ মিয়া গেদা (৪৪) উপজেলার হায়াতেরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা।
অন্য আসামিরা হলেন- ওই গ্রামের বাসিন্দা অটোরিকশা চালক সাইদুর রহমান (৩০), আলমনগর গ্রামের আশিক মিয়া (৩০) এবং বটতলা গ্রামের আমির আলী (২৮)।
ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, ধর্ষণের শিকার ৩৭ বছর বয়সি ওই নারী সিলেটের এয়ারপোর্ট থানার বাসিন্দা। এ ঘটনায় চারজনের নামে মামলা হলেও আরও একজনকে অজ্ঞাত পরিচয় হিসেবে রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, মামলার পরপর প্রধান আসামি গয়াছ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে ভুক্তভোগী নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে সম্পন্ন হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।
মামলার বরাতে পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ওই নারী দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুল এলাকা থেকে ছাতক যাওয়ার উদ্দেশে একটি অটোরিকশা ভাড়া করেন। তবে অটোরিকশা চালক সাইদুর কৌশলে গন্তব্যে না নিয়ে তাকে আলমনগর গ্রামের মন্তাজ আলীর বাড়িতে নিয়ে যান।
সেখানে চালক ও তার সহযোগীরা ওই নারীকে আটকে রেখে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।