Published : 08 Sep 2026, 09:37 PM
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার একটি বিদ্যালয়ে একসঙ্গে ১৮ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণ হিসেবে পাশের ধান ক্ষেতে ছিটানো কীটনাশকের বিষাক্ত বাষ্পকে চিহ্নিত করেছে তদন্ত দল।
মঙ্গলবার সকালে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবালের নেতৃত্বে পুলিশ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল তমরদ্দি জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করে এ তথ্য জানতে পারে।
তদন্তে জানা যায়, সোমবার বিদ্যালয়ের পশ্চিম-উত্তর পাশের জমিতে কীটনাশক স্প্রে করা হয়। সেই বিষাক্ত বাষ্প বাতাসে মিশে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাথা ঘোরা, বমি ভাব ও অচেতন হয়ে পড়ার প্রবণতা দেখা দেয়।
পরে তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। এর মধ্যে ১৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করে স্যালাইন দেওয়া হয়।
ইউএনও রাসেল ইকবাল বলেন, “কৃষকের আনা কীটনাশকের বোতলের গায়ে পরিষ্কার বলা রয়েছে, এর তীব্র ঘ্রাণে মাথা ঘোরা, বমি ভাব ও চেতনা হারানোর মতো ঘটনা ঘটতে পারে। বোতলসহ আলামত জব্দ করা হয়েছে।”
এ ঘটনায় ভবিষ্যতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে নির্দেশনা জারি করে ইউএনও বলেন, স্কুল চলাকালে সীমানাসংলগ্ন জমিতে কীটনাশক স্প্রে করা যাবে না; প্রয়োজনে শুক্র ও শনিবার ছুটির দিনে করতে হবে।
সোমবার দুপুরে শ্রেণিকক্ষে অসুস্থ হয়ে পড়া ষষ্ঠ, সপ্তম ও দশম শ্রেণির ১৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৩ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসাসেবা শেষে রাতেই তারা বাড়ি ফিরে যায় এবং মঙ্গলবার স্বাভাবিক পাঠদানে অংশ নেয়।
আরও পড়ুন:
নোয়াখালীর স্কুলে হঠাৎ অসুস্থ ১৩ শিক্ষার্থী হাসপাতালে, 'কারণ নিশ্চ