২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

নওগাঁয় ১০০ টাকা কেজিতে নেমেছে কাঁচা মরিচ

বৃষ্টির মধ্যে রাজধানীতে রান্নার সঙ্গে অপরিহার্য এই সবজির দাম ৪০০ টাকা পর্যন্ত চড়ে।

নওগাঁয় ১০০ টাকা কেজিতে নেমেছে কাঁচা মরিচ
নওগাঁর সব থেকে বড় কাঁচা মরিচের আড়ত মহাদেবপুর উপজেলার মোমিনপুর হাট।

নওগাঁ প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 13 Jul 2025, 03:22 PM

Updated : 26 Aug 2026, 01:22 PM

বাজারে সরবরাহ বাড়ায় নওগাঁয় তিন দিনের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। 

রোববার জেলার সব থেকে বড় আড়ত মহাদেবপুর উপজেলার মোমিনপুর হাটে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ পাইকারি ৭০-৮০ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে ১০০-১২০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। 

তিন দিন আগে প্রবল বৃষ্টির মধ্যে এই হাটে প্রতি কেজি কাঁচামরিচের দাম ছিল খুচরা ২৪০-২৮০ টাকা এবং পাইকারি ১৮০-২০০ টাকা। 

কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির মধ্যে বাজারে আকাশছোঁয়া দামে উঠে কাঁচামরিচ। রাজধানীতে রান্নার সঙ্গে অপরিহার্য এই সবজির দাম ৪০০ টাকা পর্যন্ত চড়ে।  

মোমিনপুর হাট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ হোসেন রোববার দুপুরে বলেন, “এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ কেনাবেচা হয়েছে ২০-২৫ টাকা দরে। কিন্তু লাগাতার বৃষ্টির কারণে জমি থেকে কৃষকরা মরিচ তুলতে না পারছিলেন না। ফলে বাজারে আমদানি কমে যায়। এ কারণে এক লাফে মরিচের দাম দাঁড়ায় পাইকারি বাজারে ১৮০-২০০ টাকা কেজি।

তিনি বলেন, “এখন বৃষ্টি না থাকায় জমি থেকে স্বাভাবিক মরিচ তোলায় আমদানি বেড়েছে। ফলে কমছে মরিচের দাম। আজ এই হাটে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে।”

হাটের পইকারি ব্যবসায়ী আনিছুর রহমান বলেন, “বৃষ্টি না হওয়ায় বাজারে মরিচের আমদানি বেড়েছে আর এলসির মরিচও এসেছে। দুইয়ে মিলে আজ প্রতি কেজি মরিচ পইকারি বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে ৮০ টাকা থেকে ১২০ টাকায়।”

নওগাঁ শহরের কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী আকরাম হোসেন বলেন, তিনি পাইকারদের কাছ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে মরিচ কিনেছেন। খুচরা ১২০ টাকায় বিক্রি করছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নওগাঁর উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, কয়েকদিনের লাগাতার বৃষ্টিপাতের কারণে কৃষক জমি থেকে মরিচ তুলতে না পারায় বাজার কিছুটা অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। 

বর্তমানে বৃষ্টি না থাকায় বাজারে মরিচের আমদানি বেড়ে যাওয়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। কয়েকদিনের মধ্যে কাঁচামরিজের দাম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বলেও আশা করেন এই কৃষি কর্মকর্তা।

জেলায় এ বছর এক হাজার হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে। জেলার চাহিদা মিটিয়ে প্রতিদিন ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সারাদেশে প্রায় দেড় হাজার মণ মরিচ সরবরাহ করা হয়।