Published : 28 Mar 2026, 09:20 PM
ফরিদপুর সদর উপজেলায় ‘তেল নেই’ এমন একটি পাম্পে অভিযান চালিয়ে হাজার হাজার লিটার ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া গেছে। পরে সেসব ভোক্তাদের মধ্যে সরবরাহ করা হয়।
উপজেলার কানাইপুর বাজারে হোসেন ফিলিং স্টেশনে এই অভিযান চালানোর সময় ব্যবস্থাপককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সংশ্লিষ্টরা জানান, ভোক্তারা অভিযোগ করেছিলেন, হোসেন ফিলিং স্টেশন তেল থাকার পরও গ্রাহকদের দিচ্ছে না। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। তখন সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

পরে পাম্পে তল্লাশি করে সাত হাজার লিটার পেট্রোল, সাড়ে ছয় হাজার লিটার অকটেন এবং সাড়ে ১৪ হাজার লিটার ডিজেল মজুত পাওয়া যায়।
ভোক্তাদের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় হোসেন ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক সাবির চৌধুরীকে ভোক্তা অধিকার ও সংরক্ষণ আইনে ২০০৯ এর আওতায় ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। এ ছাড়া পাম্পটি চালু করে বাস, ট্রাক, কৃষক, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেলে প্রয়োজনীয় পেট্রোলিয়াম দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

অপরদিকে ফরিদপুর-খুলনা মহাসড়কের পাশের রয়েল ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালানোর সময় সেখানে শুধু ভোক্তাদের ডিজেল দেওয়া হচ্ছিল। পেট্রোল আর অকটেনের বিক্রি বন্ধ ছিল।
পরে মজুদ যাচাই করে দেখা যায়, সেখানে সাড়ে তিন হাজার লিটার পেট্রোল, তিন হাজার ৪০০ লিটার অকটেন এবং ১৯ হাজার লিটার ডিজেল রয়েছে।
এ সময় পাম্পের মালিক ও ব্যবস্থাপক মেশিনের সমস্যা কথা বলে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। সে কারণে তাৎক্ষণিকভাবে পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ লাইন চালু করা হয়। কিন্তু কোনো জরিমানা করা হয়নি।
অভিযানে ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া এবং নির্বাহী হাকিম সাকিব রহমান আকাশ উপস্থিত ছিলেন।