Published : 11 Aug 2025, 06:16 PM
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় স্কুল থেকে ফেরার পথে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে কোমল পানীয়র সঙ্গে ওষুধ মিশিয়ে অজ্ঞান করে দলবেঁধে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার তিন দিন পর রোববার সন্ধ্যায় শিশুটির বাবা চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন বলে জানান শ্রীপুর থানার ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিক।
আসামিরা হলেন- উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের মোড়লপাড়া এলাকায় শফিকুল ইসলাম হায়দার (৫০), একই এলাকার জসিম উদ্দিন (৩০), বাবলু মিয়া (২৫) এবং সাব্বির আহম্মেদ (২০)।
মামলার বরাতে ওসি বারিক বলেন, “আনুমানিক ১৫ দিন আগে ১১ বছরের ওই শিশুটি স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে আসামিরা তাকে কোমল পানীয়র সঙ্গে ওষুধ মিশিয়ে খাইয়ে অজ্ঞান করে ধর্ষণ করেন। এ সময় তারা ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করেন। এ ঘটনা কাউকে বললে ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন তারা।
“সবশেষ বৃহস্পতিবার বিকালে বাড়ি ফেরার পথে শিশুটিকে আবার তুলে নিয়ে নিয়ে ধর্ষণ করেন তারা। এতে মেয়েটি অচেতন হয়ে পড়লে তাকে জঙ্গলের পাশে ফেলে পালিয়ে যান তারা। বাড়ি ফিরতে দেরি হওয়ায় স্বজনরা শিশুটিকে খুঁজতে শুরু করেন।”
তিনি বলেন, পরে জঙ্গলের পাশ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে বাড়িতে নেওয়া হয়। জ্ঞান ফিরলে মেয়েটি ঘটনার বিস্তারিত পরিবারকে জানায়।
ভুক্তভোগী শিশুটি তার বাবা-মাকে বলে, ওই চারজন তার খারাপ ভিডিও দেখিয়ে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। ভিডিও দেখলে তার বাবা-মা মরে যাবে, এমন কথা বলায় ভয়ে সে বিষয়টি গোপন রাখে।
আসামিদের ধরতে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে বলে জানান ওসি আব্দুল বারিক।