বিক্রেতার কাগজপত্র চেক করে দেখা যায়, তিনি কিনেছেন এক হাজার টাকা কেজি দরে।
Published : 25 Sep 2024, 06:50 PM
চাঁদপুরে ইলিশ মাছ ন্যায্যমূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দাম চাওয়ায় এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বুধবার দুপুরে দেশে ইলিশের অন্যতম বড় পাইকারি বাজার বড় স্টেশন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে এই অভিযান চালানো হয়।
জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন বলেন, “ইলিশের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা বাজার মনিটরিংয়ে আসি। এ সময় আমি ক্রেতা সেজে এক ব্যবসায়ীর কাছে মাছের দাম জানতে চাই।
“বিক্রেতা রিপন মিয়া আমার কাছে দাম চায় দেড় হাজার টাকা কেজি। পরে তার কাগজপত্র চেক করে দেখি তিনি কিনেছেন এক হাজার টাকা কেজি দরে।”
নুর হোসেন বলেন, “ক্রেতাদের কাছে এমন অস্বাভাবিক দামে মাছ বিক্রি করা অন্যায়। তাই রিপন মিয়াকে তিন হাজার টাকা দণ্ড দিয়েছি। তাছাড়া অন্যান্য ব্যবসায়ীদেরকেও পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি সতর্ক করা হয়েছে। আগামীতেও এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
বাজারের একজন ব্যবসায়ী জানান, বিক্রেতা রিপন যে মাছটির দাম দেড় হাজার টাকা চেয়েছেন; সেটি মধ্যম সাইজের। ওজন হবে ৬০০-৭০০ গ্রাম।
ভারতে রপ্তানির ঘোষণার পর থেকে কেজিতে ১০০-১৫০ টাকা বেড়েছে ইলিশের দাম। বর্তমানে চাঁদপুরে এক কেজি ওজনের পদ্মা-মেঘনার ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৮০০ থেকে ১৮৫০ টাকায়। ৭০০-৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১৪০০-১৬৫০ টাকা দরে। এক কেজির উপরে হলে মাছের দাম দুই হাজার টাকার বেশি।
তবে দক্ষিণাঞ্চল থেকে সরবরাহ করা ইলিশ মাছ কেজিতে ২০০-৩০০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে ইলিশের দাম নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা অধিদপ্তরের এমন অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন মৎস্য ব্যবসায়ী নেতারা।
চাঁদপুর জেলা মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুল বারী জমাদার মানিক বলেন, “আমরাও চাই ইলিশের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকুক। একজন ব্যবসায়ীর অনিয়ম পাওয়ায় তাকে জরিমানা করা হয়েছে। এটাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। নিয়মিত বাজার মনিটরিং থাকলে সবার মাঝে স্বচ্ছতা থাকবে।”