২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
সন্ধ্যা নদীতে এক জেলের জালে মাছটি ধরা পড়ে।
অভিযানের সময় মাঝি ও শ্রমিকেরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
রাত থেকে ভোর পর্যন্ত ৮০ টনের বেশি ইলিশ বিক্রি হয়েছে বলে ধারণা ভাঙ্গার মাছ ব্যবসায়ী উসমান মাতব্বর ও মজা মাতব্বরের।
জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশের ভরা মৌসুম হলেও জাতীয় মাছের দামে যেন আগুন। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আকার ভেদে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা কেজি দরে। এত দামের কারণে ক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে অসন্তোষ।
টেকনাফের জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, বড় ইলিশ সাধারণত গভীর সমুদ্রে থাকে।
পহেলা বৈশাখের আগমনে রাজধানীর বাজারে বেড়েছে ইলিশ মাছের চাহিদা। বাঙালির বর্ষবরণের ঐতিহ্যে পান্তা-ইলিশের কদর এখনও অটুট থাকলেও এ সময় ইলিশের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় আকাশচুম্বি দামে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম বলেন, “ইলিশের দাম নির্ধারণ বা নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ক্ষমতাই নেই মৎস্য বিভাগ কিংবা জেলেদের।”
বিক্রেতার কাগজপত্র চেক করে দেখা যায়, তিনি কিনেছেন এক হাজার টাকা কেজি দরে।