Published : 25 Apr 2026, 04:58 PM
বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় পশু চিকিৎসকদের ভূমিকা দিন দিন বাড়ছে- এমন বার্তায় বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস উদযাপন করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
শনিবার ‘ভেটেরিনারিয়ানরা খাদ্য ও স্বাস্থ্যের অভিভাবক’ স্লোগানে দিবসটি পালন করা হয়। এদিন সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন চত্বর থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়।
শোভাযাত্রাটি উপাচার্যের বাসভবন ও কেআর মার্কেট ঘুরে ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালে গিয়ে শেষ হয়। এতে ভেটেরিনারি অনুষদের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।
পরে হাসপাতালে কেক কাটা হয় এবং ছাগলের পিপিআর রোগের বিরুদ্ধে বিনামূল্যে টিকা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানের অতিথি ভেটেরিনারি অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “ভেটেরিনারিয়ানরা কেবল প্রাণীর চিকিৎসা নয়, বরং খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের অতন্ত্র প্রহরী। প্রাণীর স্বাস্থ্য রক্ষা করলে মানুষের সুস্বাস্থ্যও নিশ্চিত হয়।”
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণার ওপর জোর দেন, যেখানে মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশ- এই তিনটির স্বাস্থ্য একে অপরের সঙ্গে জড়িত।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উদযাপন কমিটির সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম, সদস্যসচিব অধ্যাপক মো. মাহমুদুল আলম, মো. মকবুল হোসেন, মো. রফিকুল আলম, মো. আলম মিয়া।
সভাপতির বক্তব্যে আরিফুল ইসলাম বলেন, “নিরাপদ দুধ, ডিম ও মাংস মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়ায় এমন রোগ প্রতিরোধ করা ভেটেরিনারিয়ানদের পেশাগত দায়িত্ব।”
তিনি বলেন, র্যাবিস, অ্যানথ্রাক্স ও ব্রুসেলোসিসের মতো প্রাণিবাহিত রোগ প্রতিরোধে তারা কাজ করছেন।
ওয়ার্ল্ড ভেটেরিনারি অ্যাসোসিয়েশনের মতে, ভেটেরিনারিয়ানরাই খাদ্য ও স্বাস্থ্যের প্রকৃত অভিভাবক। বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস প্রতি বছর এপ্রিল মাসের শেষ শনিবার বিশ্বব্যাপী পালিত হয়।
এ বছরের প্রতিপাদ্য- ‘ভেটেরিনারিয়ানরা খাদ্য ও স্বাস্থ্যের অভিভাবক’। এ দিবসের আয়োজনের মাধ্যমে পেশাটির বহুমাত্রিক গুরুত্ব তুলে ধরা হয় এবং ভবিষ্যৎ ভেটেরিনারিয়ানদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।