Published : 01 Nov 2024, 08:08 PM
নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলায় কবিরাজের দেওয়া কৃমির ওষুধ খেয়ে শিশুসহ একই পরিবারের সাতজন অসুস্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ওই সাতজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে চিকিৎসক।
শুক্রবার সকালে উপজেলার কুল্লাগড়া ইউনিয়নের কুড়ালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. তানজিরুল ইসলাম রায়হান।
অসুস্থরা হলেন- ওই গ্রামের ফারুখ মিয়া (৩৫), কামরুন নাহার (৩০), রাবিয়া বেগম (৬০), হুসনে আরা (৬৫), মুজাহিদ (৯), ইকরা (৭) এবং ইলমা (৩)।
স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার ফারুখ মিয়া স্থানীয় বিজয়পুর গ্রামের এক কবিরাজের কাছ থেকে কৃমির ওষুধ আনেন। শুক্রবার সকালে খালি পেটে সেই ওষুধ খান তারা। কিছুক্ষণ পর তারা একে একে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
বাড়ির লোকজন চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা ছুটে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে দ্রুত দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।
অসুস্থদের স্বজন হনুফা আক্তার বলেন, “কবিরাজের দেওয়া কৃমির ওষুধ খেয়েই সবার এই অবস্থা। সবাইকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।”
চিকিৎসা তানজিরুল ইসলাম বলেন, “গ্রামের কবিরাজের পরামর্শে তারা কৃমিনাশক হিসেবে পাহাড়ি ফল খান। এরপর পরিবারের সাতজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তবে শিশুদের অবস্থা বেশি অবনতি হয়েছে।”
প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।