২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

টাঙ্গাইলের সাবেক এমপি ছানোয়ার ১৯ দিনের রিমান্ডে

জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. ছানোয়ার হোসেনকে ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

টাঙ্গাইলের সাবেক এমপি ছানোয়ার ১৯ দিনের রিমান্ডে
টাঙ্গাইল জেলা আদালতে সাবেক সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন।

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 17 Mar 2025, 08:21 PM

Updated : 26 Aug 2026, 12:02 PM

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেনকে চার মামলায় ১৯ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। 

সোমবার সদর আমলি আদালত একটি হত্যাসহ তিনটি মামলায় ১৪ দিন এবং মির্জাপুর আমলি আদালত একটি হত্যা মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন বলে আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. লুৎফর রহমান জানান। 

জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. ছানোয়ার হোসেনকে ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা মহানগরীর ভাটারা থানার পুলিশ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভাটারা থানায় একটি মামলায় তাকে রিমান্ডে নিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে। তারপর থেকে কেরানিগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন তিনি।

সোমবার দুপুরে তাকে প্রথমে টাঙ্গাইল সদর আমলি আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় টাঙ্গাইল সদর থানায় স্কুলছাত্র মারুফ হত্যা মামলা এবং আরও দুইটি ভাঙচুর ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের উপর হামলার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। 

মামলাগুলোতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক গোলাম মাহবুব খাঁন মারুফ হত্যা মামলায় ও দ্রুতবিচার আইনের মামলায় পাঁচ দিন করে ১০ দিন এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের উপর হামলা মামলায় চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

পরে তাকে মির্জাপুর আমলি আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিতে নিহত কলেজ ছাত্র মারুফ হত্যা মামলায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মোছাম্মৎ রুমি খাতুন পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি তানভীর আহমেদ জানান, সোমবার থেকেই ছানোয়ার হোসেনকে তারা জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করবেন। 

ছানোয়ার হোসেন ২০১৪ ও ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ী হন। ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান।