Published : 27 Jan 2026, 04:34 PM
‘না’ ভোটের বিপক্ষে যারা প্রচার চালাবে, জনগণ তাদের বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী ও ফ্যাসিবাদপন্থী হিসেবে চিহ্নিত করবে বলে মন্তব্য করেছেন খেলাফত মজলিসের আমীর মামুনুল হক।
মঙ্গলবার দুপুরে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকা দক্ষিণে সিলেট-৬ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমীর মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সকালে হেলিকপ্টারে করে গোলাপগঞ্জে পৌঁছান মামুনুল হক। জনসভায় সিলেট-৬ আসনের জামায়াতের প্রার্থীসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা বক্তব্য রাখেন।
তিনি বলেন, “না ভোটের পক্ষে যারা প্রচার চালাবে, মানুষ বুঝে নেবে তারা বাংলাদেশের বিপক্ষে এবং ফ্যাসিবাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আগামী দিনে কেউ যেন দেশের বিপক্ষে দাঁড়াতে না পারে, সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’’
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর কোন ধরনের নির্যাতন বা জুলুম মেনে নেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন খেলাফত মজলিসের আমীর মামুনুল হক।
মামুনুল বলেন, “আমরা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানসহ সব ধর্মাবলম্বীকে নিয়ে ধর্মীয় সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে চাই।
“এই দেশে আর ধর্মীয় সংখ্যালঘুদেও ওপর সংখ্যাগুরুদের অত্যাচার-জুলুম চলবে না। ১১ দলীয় জোট নির্বাচনে বিজয়ী হলে কোনো মেহনতি মানুষের ওপর খবরদারি থাকবে না, কোনো ব্যবসা কিংবা ঘর নির্মাণের জন্য চাঁদা দিতে হবে না।”
আগামীর বাংলাদেশ স্বপ্নের সোনার ও ইনসাফের বাংলাদেশ হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘দেশপ্রেমিক ও ইসলামপ্রেমিক দলগুলোর সমন্বয়ে এই নির্বাচনী ঐক্য গড়ে তোলা হয়েছে।
“এই জোট বিজয়ী হলে কোনো একক দল বা নেতার নয়, বিজয় হবে বাংলার ১৮ কোটি মানুষের, বিজয় হবে বাংলাদেশপন্থার।’’
ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “এত শহীদের আত্মত্যাগের পরও যদি আমরা দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করতে না পারি, যদি আবার চাঁদাবাজ ও জুলুমবাজদের হাতে দেশ তুলে দেই, তাহলে আমরা গাদ্দার জাতি হিসেবে প্রমাণিত হবো। শহীদদের রক্ত বৃথা যাবে।’’
দেশের সব রাজনৈতিক দল ও নেতাদের ভূমিকা জনগণ ইতোমধ্যে দেখে ফেলেছে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘‘চাঁদাবাজি ও গুণ্ডামির রাজনীতিতে তারা বিরক্ত।
“এবার মানুষ ইসলামপন্থীদের বাংলাদেশ দেখতে চায়। আগামীতে যারা চাঁদাবাজি বা সন্ত্রাসের রাজনীতি করতে আসবে, রাজপথে তাদের প্রতিহত করা হবে।’’