নিক্সনের উন্নয়নের রাজনীতি হচ্ছে নিজের উন্নয়ন: কাজী জাফর উল্যাহ
“তিনি উন্নয়ন করে বিশাল সম্পত্তি করেছেন, একটি বড় চিড়িয়াখানাও বানিয়েছেন।”
ফরিদপুর-৪ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন আওয়ামী লীগ নয়; বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাসীন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ।
ওই আসনের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী জাফর উল্যাহ বলেছেন, “নিক্সন চৌধুরী বিভিন্ন সভায় বলে থাকেন, তার রাজনীতি হচ্ছে উন্নয়নের রাজনীতি আর মূল্যায়নের রাজনীতি। তার উন্নয়নের রাজনীতি হচ্ছে নিজের উন্নয়ন, উন্নয়ন করে বিশাল বড় বাড়ি বানিয়েছেন।
“তিনি যখন ভাঙ্গায় পা দিয়েছিলেন তখন তার বা তার পরিবারের কারো এক শতাংশ জমি এখানে ছিল না। এখন কিন্তু তিনি উন্নয়ন করে বিশাল সম্পত্তি করেছেন, একটি বড় চিড়িয়াখানাও বানিয়েছেন। আমাদের মানুষ বাঁচার জন্য লড়াই করে যাচ্ছে, আর তিনি মাদারীপুরের শিবচর থেকে এসে উন্নয়নের জোয়ার দিয়ে চিড়িয়াখানা বানিয়েছেন।”
শুক্রবার বিকালে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মনসুরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন কাজী জাফর উল্যাহ।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বলেন, “এলাকায় নতুন কোনো রাস্তা করেছেন দেখতে পাচ্ছি না। নিলুফার জাফর উল্যাহ যখন এমপি ছিলেন ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ওই সময়ে দেওয়া প্রকল্পগুলোই এখন বাস্তবায়ন হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় যে রাস্তা পাশ করে এসেছিলাম, সেই রাস্তাই হয়েছে, এর বাইরে নতুন করে কোনো রাস্তা হয়নি।”
কাজী জাফর উল্যাহ বলেন, “আপনাদের, আপনাদের সন্তানদের, পরিবারের সদস্যদের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য লড়াই করে যাচ্ছি। তাই আপনাদের বুঝতে হবে, আপনারা যদি না বোঝেন তাহলে আপনাদেরই কিন্তু লোকসান হবে।
আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আছে বলেই দেশের উন্নয়ন হচ্ছে, দেশের মানুষ শান্তিতে রয়েছে। তাই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে পুনরায় শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করার আহ্বান জানান তিনি।
হামিরদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মিরাজ মাতুব্বরের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন ভাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফুর রহমান মিরন, সাধারণ সম্পাদক আকরামুজ্জামান রাজা, সদরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু আলম রেজা, আজিম মিয়া, সালেহা বেগম।
