Published : 24 Jun 2026, 12:05 AM
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় যমুনা নদীর ভাঙন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। তিন দিনে ভাঙনে তীররক্ষা বাঁধের ১৫০ মিটার নদীতে বিলীন হয়েছে।
ভাঙন ঠেকাতে নদীতীরে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এরপরও ভাঙন ধেয়ে আসছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও জনবসতির দিকে। এতে নদীপাড়ের বাসিন্দারা চরম আতঙ্কে দিন পার করছেন।
ভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন বগুড়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ।
মঙ্গলবার সকাল ৬টায় উপজেলার শহড়াবাড়ি যমুনা নদীর ঘাট এলাকায় জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলার স্থানে ফের ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনে প্রায় ৫৫ মিটার অংশের জিও ব্যাগ ও টিউবসহ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।
এ নিয়ে তিন দিনে প্রায় ১৫০ মিটার অংশ নদীতে বিলীন হয়। ভাঙন ঠোকাতে তিন দিন ধরে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ এবং টিউব ফেলা অব্যাহত রয়েছে। তবে নদীপাড়ের মানুষের দাবি এখন ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান।

শহড়াবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা জহুরুল ইসলাম বলেন, উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের শহরাবাড়ি গ্রামে ২০২৫ সালের অক্টোবরে যমুনা নদীতে আকস্মিক ভাঙনে সমতল ভূমিসহ নয়টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। পরে সেখানে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলা হয়।
যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার কারণে সেখানে ভাঙন শুরু হয়েছে বলে দাবি জহুরুল ইসলামের।
পানি উন্নয়ন বোর্ড বালিভর্তি জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলে ভাঙনরোধের চেষ্টা করলেও তা কার্যকর হচ্ছে না বলে জানান একই গ্রামের বেলাল হোসেন।
বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির বলেন, ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে সেখানে কাজ চলছে। নদীতে স্রোত বেশি থাকায় ভাঙনের সূত্রপাত হয়।