Published : 14 Sep 2026, 01:04 PM
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের ধারণা, মোবাইল ফোন না পেয়ে সে ‘আত্মহত্যা’ করেছে।
রোববার রাত ৮টার দিকে বোয়ালি ইউনিয়নের মধ্য রাধাকৃষ্ণপুর গ্রাম থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন গাইবান্ধা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমঙ্গল কুমার দাস।
মৃত সাদিয়া আক্তার (১৩) ওই গ্রামের আব্দুস সালাম মিয়ার মেয়ে। সে শহরের আহম্মেদ উদ্দিন শাহ শিশু নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
সোমবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
মৃত স্কুল ছাত্রীর বাবা আব্দুস সালাম মিয়া বলছেন, “সন্ধ্যার দিকে সাদিয়া তার মায়ের কাছে মোবাইল ফোন চায়। এ সময় মোবাইল ফোন দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে মেয়েকে পড়তে বসতে বলেন মা। এর কিছুক্ষণ পর সাদিয়া তার নিজের ঘরে চলে যায়।
“এদিকে সন্ধ্যা পেরিয়ে গেলে কোনো সাড়া না পেয়ে সাদিয়াকে ঘরের দরজা খোলার জন্য ডাকাডাকি করা হয়। অনেকক্ষণ ধাক্কাধাক্কি করার পর এক পর্যায়ে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে সাদিয়াকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। "
তাকে দ্রুত উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান সালাম মিয়া।
তিনি বলেন, “ধারণা করছি, মোবাইল ফোন না পেয়ে মায়ের ওপর অভিমান করে সাদিয়া সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয়।”
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. খুশিত জাহানা মনিরা বলছেন, “সাদিয়াকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তার গলায় ফাঁসের চিহ্ন ছিল।”
পরিদর্শক সুমঙ্গল কুমার বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।