Published : 18 Sep 2025, 03:53 PM
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা থেকে নিখোঁজের এক মাস পর সেপটিক ট্যাংক থেকে এক ব্যক্তির গলিত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী, শ্যালক ও দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
বুধবার রাত ১টার দিকে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয় বলে জানান দেবিদ্বার থানার ওসি ছামছুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ।
নিহত মো. করিম ভূঁইয়া (৪৮) উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের মন্ত্রী বাড়ি এলাকার প্রয়াত আবুল কাশেম ভূঁইয়ার ছেলে। ঘটনাস্থটি করিমের শ্বশুর বাড়ি।
ওসি ছামছুদ্দিন বলেন, ১৩ অগাস্ট সকালে করিম নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। পরে করিমের সন্তানরা দেবিদ্বার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করিমের ছবি ও নিখোঁজের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তার সন্ধান চাওয়া হয়।
জমি বিক্রি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাদের পারিবারিক কলহ রয়েছে, গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলে এমনটা জানা গেছে বলে জানান তিনি।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে দুর্গন্ধ পেয়ে স্থানীয়দের সন্দেহের ভিত্তিতে করিমের শ্বশুর বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক খোলা হয়। এ সময় সেখানে একটি পচাগলা হাত-পা বাঁধা লাশ পাওয়া যায়; যা করিমের বলে শনাক্ত করেন স্বজনরা।
ওসি ছামছুদ্দিন বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে কিছু লোককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
ঘটনার পেছনে কারা জড়িত, কী উদ্দেশে এ হত্যাকাণ্ড তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।