Published : 01 Oct 2025, 08:55 PM
ভারত থেকে বাংলাদেশে বিয়ে হয়ে আসা মেয়ে বাবার মৃত্যু সংবাদে ছুটে যান সীমান্তে। কিন্তু কোনো কাগজপত্র না থাকায় বাঁধসাধে কাঁটাতারের বেড়া।
পরে বিষয়টি জানানো হলে দুই দেশের সীমান্তরক্ষীদের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে শেষবারের মত বাবার মুখ দেখার সুযোগ হয় মেয়ের।
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী বলেন, বুধবার দুপুরে যশোরের শার্শার উপজেলার ধান্যখোলা সীমান্তের মেইন পিলার ২৫/৬-এসের কাছে পতাকা বৈঠকের পর ভারতীয় নাগরিক জব্বার মণ্ডলের (৭৫) লাশ আনা হয়।
বাংলাদেশে বিয়ে হয়ে আসা জব্বারের মেয়ে মিতু মণ্ডল (৩৮) ও স্বজনরা সেখানে তাকে শেষ বিদায় জানান।
বিজিবি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী বলেন, ভারতের বাগদা থানার বাঁশঘাটা গ্রামের নাগরিক জব্বার মণ্ডল বার্ধক্যজনিত কারণে মঙ্গলবার মারা যান। মৃত্যুর খবর পেয়ে তার মেয়েসহ বাংলাদেশি স্বজনরা লাশ দেখতে বিজিবির কাছে আবেদন করেন। এ বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়।
পরে দুই দেশের সীমান্তরক্ষীদের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে লাশ স্বজনদের দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়।
যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল পোড়াবাড়ী গ্রামের বাবলু মণ্ডলের সঙ্গে মিতু মণ্ডলের বিয়ে হয়। মিতুর বাবার বাড়ি ভারতের উত্তর ২৪ পরগণার বাগদা থানার বাঁশঘাটা গ্রামে।
বাবলু মণ্ডল বলেন, “পাসপোর্ট-ভিসা না থাকায় শ্বশুরের মৃত্যু সংবাদ পাওয়ার পর আমরা বিচলিত হই। পরে বিজিবি ক্যাম্পে আবেদনের প্রেক্ষিতে করি, শেষ বারের মত মৃত মুখটি দেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। আমরা বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞ।”