স্মার্ট বাংলাদেশের মূল ভিত্তি কুদরত-ই-খুদা কমিশন: মতিয়া চৌধুরী

“আজকে আমাদের প্রধানমন্ত্রী যে স্মার্ট বাংলাদেশের রূপরেখা দিয়েছেন, সেই স্মার্ট বাংলাদেশের ভিত্তিভূমি হলো কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 20 Jan 2023, 12:09 PM
Updated : 20 Jan 2023, 12:09 PM

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গঠিত কুদরত-ই- খুদা শিক্ষা কমিশনকে স্মার্ট বাংলাদেশের মূলভিত্তি বলে মনে করেন জাতীয় সংসদের উপনেতা মতিয়া চৌধুরী।

শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে এক আলোচনাসভায় তিনি বলেন, “শিক্ষা ব্যবস্থা আমূল পরিবর্তনের জন্য বঙ্গবন্ধু কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন গঠন করেছিলেন, যাতে এই দেশের ছেলে-মেয়েরা বিজ্ঞানমনস্ক হয় এবং উন্নত চিন্তার অধিকারী হয়।

“আজকে আমাদের প্রধানমন্ত্রী যে স্মার্ট বাংলাদেশের রূপরেখা দিয়েছেন, সেই স্মার্ট বাংলাদেশের ভিত্তিভূমি হলো কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।”

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ‘ভেঙেছ দুয়ার এসেছ জ্যোতির্ময় ’ শীর্ষক আলোচনাসভায় একথা বলেন তিনি।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ইতিহাস তুলে ধরে মতিয়া চৌধুরী বলেন, “দীর্ঘ সময়, মাসের পর মাস পাকিস্তানের কারাগারে এবং নানা ধরনের মানসিক নির্যাতনে এটা অনিশ্চিত ছিল যে- তিনি এই দেশের মাটি জীবিত স্পর্শ করতে পারবেন কি না।

“অবশেষে ১০ জানুয়ারি তিনি আবির্ভূত হলেন বাংলার মাটিতে। সেদিন পুরনো বিমানবন্দরে লোকে লোকারণ্য হওয়ার ফলে বিমান মার্টি স্পর্শ করতে পারছিল না। সবাই বঙ্গবন্ধুকে ছুঁয়ে দেখতে চেয়েছিল।”

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া বলেন, “অনেকবার ঘুরে ঘুরে, অনেক কষ্টে বিমান মাটি স্পর্শ করল, দরজা খুলতেই বেরিয়ে এলেন দীর্ঘদেহী বঙ্গবন্ধু, কিন্তু কৃশকায়। উজ্জ্বল জ্যোতির্ময় হিসেবে বঙ্গবন্ধু বাংলার মাটিতে আবির্ভূত হলেন।

“সেটাই আমরা কবির ভাষায় বলতে পারি, ‘ভেঙেছ দুয়ার, এসেছ জ্যোতির্ময়, তোমারি হোক জয়’। যথার্থ উপমা।”

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ বলেন, রাজনৈতিক নেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধুর প্রধান দিক হলো সততা, মহানুভবতা, দেশপ্রেম এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসা।

“তিনটি বইয়ে আমরা বঙ্গবন্ধুর মহাকাব্যিক আত্মজীবনী জানতে পারছি। সেগুলো হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা ও আমার দেখা নয়াচীন।

“এই বইগুলো যদি আমাদের ছেলে মেয়েরা পাঠ করে, তাহলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক গতি-প্রকৃতি, বঙ্গবন্ধুর জীবন-দর্শন জানতে পারবে। এই তিনটি গ্রন্থ আমাদের সকলের অবশ্য পাঠ। এমন আত্মজীবনী পৃথিবীতে খুব কমই রয়েছে।”

আলোচনাসভায় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্বিপ্লব বড়ুয়াও বক্তব্য দেন। অুনষ্ঠানে ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক