Published : 18 Dec 2025, 01:41 AM
পাহাড়ের রাজনীতির হিসাব-নিকাশ বুঝতে দেশের ‘মূল’ রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি আঞ্চলিক দলগুলোর গতিবিধি আমলে নিতে হয় বিশ্লেষকদের। ভোটের সময় সেই অঙ্কে যুক্ত হয় ‘পাহাড়ি-বাঙালি’ সমীকরণ।
পার্বত্য চট্টগ্রামের বিশাল পাহাড়ি এলাকার তিনটি সংসদীয় আসনে বিএনপি এরই মধ্যে তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। দুটি আসনে দলের নেতাকর্মীদের কোনো দ্বন্দ্বের মধ্যে পড়তে হয়নি প্রার্থীকে।
তবে একটি আসনে পুরনো বিরোধ রয়েছে। সেটি নির্বাচন সামনে রেখে আবার প্রকাশ্যে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ।
জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি ছাড়াও কয়েকটি দল নির্বাচনের ব্যাপারে সরব, তারা প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
অন্যদিকে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি-জেএসএস, ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-ইউপিডিএফ নির্বাচনের ব্যাপারে আগে নীরব থাকলেও গত সপ্তাহে তারা ভোটে অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চত করেছে।
পাহাড়ের আরেক শক্তিশালী রাজনৈতিক সংগঠন জেএসএস-এমএন লারমা সরাসরি ভোটে না এলেও পছন্দের প্রার্থীদের সমর্থন দেওয়ার কথা বলছে।

আঞ্চলিক দলগুলো নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার আগ পর্যন্ত পাহাড়ের ভোটের যে সমীকরণ ছিল; এখন সেটা পাল্টে গেছে। কারণ আঞ্চলিক দলগুলো নির্বাচনে না এলে ভোটের মাঠ অনেকটা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর দখলেই থাকত। কিন্তু জেএসএস ও ইউপিডিএফের নির্বাচনে থাকার ঘোষণা প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।
পাহাড়ের আওয়ামী লীগ, বিএনপির বাইরে জেএসএসের জয়ের ইতিহাস আছে। আর ইউপিডিএফ অতীতের মত এখনো ভোটের মাঠে প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে সক্ষম।
তিন পার্বত্য আসনে আগামী নির্বাচন সরল-দ্বিমুখী লড়াইয়ের বদলে কোথাও কোথাও কঠিন-ত্রিমুখী লড়াইয়ে পরিণত হতে পারে। তার মধ্যে রয়েছে পাহাড়ি-বাঙালি ভোটের সমীকরণ। এবং এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বিএনপি। যদিও আওয়ামী লীগহীন এই নির্বাচনে বিএনপি সারাদেশেই বড় জয়েল আশা করছে।
রাঙামাটি সংসদীয় আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহধর্ম বিষয়ক সম্পাদক দীপেন দেওয়ান, বান্দরবান আসনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাচিং প্রু জেরি আর খাগড়াছড়িতে জেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়া।

ভোট নিয়ে আলোচনার মধ্যে ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৮তম বার্ষিকী উপলক্ষে রাঙামাটির কুমার সুমিত রায় জিমনেসিয়াম প্রাঙ্গণে এক সমাবেশে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেয় সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএস।
দলটির সহসভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদার সেদিন বলেন, “দেশে এখনও নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা কাটেনি। নির্বাচন আসলে হবে কি, হবে না। যদি নির্বাচন হয় তাহলে জেএসএস নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।”
১১ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে গণভোটের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে ১২ থেকে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত, তা বাছাই হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। তার তিন সপ্তাহ পর ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ভোটগ্রহণ।

তফসিল ঘোষণার ঠিক পরদিন ১২ ডিসেম্বর ভোটে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেয় ইউইপডিএফ।
সংগঠনের সভাপতি প্রসিত বিকাশ খীসা এক বিবৃতিতে বলেন, “একটি গণতান্ত্রিক দল হিসেবে ইউপিডিএফ ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে এবং একইভাবে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও অংশ নেবে।”
‘ত্রিমুখী’ ভোটের মাঠ
বান্দরবানে ধানের শীষের প্রার্থী সাচিং প্রু জেরি মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচনি এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন। সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। এরই মধ্যে সাতটি উপজেলা সফর শেষ করে ফেলেছেন।
তবে বিএনপির মাম্যাচিং-জাবেদ রেজাপন্থি হিসেবে পরিচিত নেতাকর্মীদের দলীয় প্রচারে কোনো সময় দেখা যাচ্ছে না। সাচিং প্রু জেরীর মনোনয়ন বাতিল করে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এবং সাবেক পৌর মেয়র জাবেদ রেজাকে প্রার্থী করার দাবিতে বেশ কিছু কর্মসূচিও হয়েছে।

১৯৯১ সাল থেকেই বোমাং রাজপরিবারে সদস্য সাচিং প্রু জেরী ও মাম্যাচিংকে ঘিরে জেলা বিএনপি দ্বিধাবিভক্ত। বোমাং রাজপরিবারের এই দুই প্রভাবশালী নেতাকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্ব ও বিভক্তির কারণে ১৯৯৬ সালে (জুনে) বিএনপি জয় পায়নি–এমন কথাও বলা হয়।
সাচিং প্রু জেরীকে মনোনয়ন দেওয়ার পর আবারও দলীয় বিরোধ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।
সাচিং প্রু জেরী ১৫তম বোমাং রাজার ছেলে। অন্যদিকে মাম্যাচিং হলেন ১৩তম বোমাং রাজার পুত্রবধূ। তারা সম্পর্কের মামি-ভাগনে।
এ বছর ফেব্রুয়ারিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে উভয় পক্ষকে নিয়ে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির আহ্বায়ক হলেন সাচিং প্রু জেরী এবং সদস্যসচিব হলেন মো. জাবেদ রেজা। মাম্যাচিংকে কমিটির সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।
সাচিং প্রু জেরী ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নিবার্চনে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। এছাড়া বান্দরবান সদর উপজেলা ও বান্দরবান জেলা পরিষদেও চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তার বাবা প্রয়াত ১৫তম বোমাং রাজা অংশৈপ্রু চৌধুরীও ১৯৮৮ সালে নির্বাচনে এই আসন থেকে বিএনপির হয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন।

এ আসনে বিএনপির প্রার্থীকে এক দিকে দলীয় বিরোধের মুখোমুখি হতে হচ্ছে, অন্যদিকে পুরনো শরিক জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হচ্ছে। এরপার জেএসএস প্রার্থী দিলে বিএনপির বিপদ আরও বাড়তে পারে।
এ আসনে বিএনপির ভোট আছে, কিন্তু নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগেরও ব্যাপক ভোট রয়েছে। সেই ভোট কোন দিকে যাবে সেটাও ভোটের নির্ধারক হতে পারে।
জেলা জামায়াত ইসলামের নায়েবে আমির ও জেলা পরিষদের সদস্য আবুল কালাম বিভিন্ন এলাকায় প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে বান্দরবান শহরের বাজার এলাকা, লামা ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় বেশ জোরেসোরে প্রচার করছেন তারা।

এদিকে গণসংহতি আন্দোলন দলীয় প্রার্থী হিসেবে জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রিপন চক্রবর্তীর নাম ঘোষণা করেছে। তিনিও প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।
এরই মধ্যে থানচি, রুমা, নাইক্ষ্যংছড়ি ও বান্দরবান শহরে তারা গণসংযোগ করছেন বলে জানিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট উবাথোয়াই মারমা।
জেএসএস তিন আসনের কোনোটাতেই এখনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বান্দরবান আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন দলটির সহসাধারণ সম্পাদক কে এস মং মারমা। তিনি আগে থেকেই এলাকায় সামাজিক সেবা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং বান্দরবান সদর, রোয়াংছড়ি, রুমা ও থানচি উপজেলায় বেশ কয়েক সামাজিক সেবামূলক কার্যক্রম অংশ নিয়েছেন। এ ছাড়া জেলায় জেএসএসের ছোটখাট বিভিন্ন দলীয় কর্মসূচি আগের চেয়ে বেড়েছে।
নির্বাচনে প্রার্থী কে হচ্ছেন জানতে চাইলে জেএসএসের কেন্দ্রীয় এক নেতা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এমন কোনো দলীয় সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি।”
পাল্টে যাওয়া সমীকরণ
খাগড়াছড়ি পার্বত্য আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া প্রার্থী ঘোষণার আগ থেকেই গণসংযোগে ছিলেন। প্রার্থিতা ও তফসিল ঘোষণার পর প্রচারে জোর এসেছে। বিশাল কর্মীবাহিনী নিয়ে দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন তিনি।
ইউপিডিএফ নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণার আগ পর্যন্ত এখানে ওয়াদুদ ভুঁইয়ার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামী অ্যাডভোকেট ইয়াকুব আলী। ইউপিডিএফ নির্বাচনে অংশগ্রহণের পর সমীকরণ পাল্টে গেছে বলে স্থানীয় রাঝনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন।

তারা বলছেন, ইউপিডিএফ প্রধান প্রসীত খিসা ২০১৪ সালে এই আসন থেকে নির্বাচনে লড়েছিলেন। সেই নির্বাচনে তিনি দ্বিতীয় হয়েছিলেন। সেবার জয়লাভ করেছিলেন আওয়ামী লীগের কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা।
ফলে এবার যদি এখানে ইউপিডিএফ প্রসীত খিসা কিংবা তার মত শক্তিশালী প্রার্থী দেয়; তাহলে আওয়ামী লীগহীন ভোটে ফলাফল কী হবে সেটা আগে থেকে আন্দাজ করা কঠিন। যদিও এখানে বিএনপির ভোট ব্যাংক রয়েছে, পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ের ইতিহাসও আছে।
সাত লাখ ১১ হাজারের বেশি জনসংখ্যার এই জেলায় মোট ভোটার পাঁচ লাখ ৪৫ হাজার ৬৮৮ জন; এর মধ্যে পুরুষ ভোটার দুই লাখ ৭৬ হাজার ১৩ জন এবং নারী ভোটার দুই লাখ ৬৯ হাজার ১১ জন।
এখানে এনসিপি থেকে অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমা এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো. কাউসার আজিজী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এর বাইরে এখানে জেএসএস-এম এন লারমার সংগঠন রয়েছে। তবে তারা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার কথাই বলছেন।

বিএনপি প্রার্থী ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, “আমি আগেও জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। জনগণ আমাকে চিনে। জেলার বেশিরভাগ সড়ক, স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, বিহার আমার সময়ে নির্মিত হয়েছে।
“পাহাড়ি-বাঙালি উভয় জনগোষ্ঠীর মানুষ আমাকে সমর্থন দিয়েছে। এরই মধ্যে চাকমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর মানুষ স্বতন্ত্রভাবে আমার সমর্থনে সমাবেশও করেছে।”
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইয়াকুব আলী দুর্নীতিমুক্ত এবং পাহাড়ি-বাঙালি সম্প্রীতি নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাইছেন।
তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ তৈরি করব, যেখানে নির্ভয়ে নির্বিঘ্নে সবাই তার ধর্ম-কর্ম পালন করবে। নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ভয় থাকবে না। পাহাড়ি-বাঙালি মিলেমিশে এক সম্প্রীতির বাংলাদেশ তৈরি হবে। তখন মসজিদ যেমন পাহারা দিতে হবে না; তেমনি মন্দিরও পাহারা দিতে হবে না।”
জেএসএস-এমএন লারমার সাংগঠনিক সম্পাদক সুধাকর ত্রিপুরা বলেন, “আমরা নির্বাচনমুখী দল। তবে এই নির্বাচনে আমরা সরাসরি কোনো প্রার্থী দেব না। হয়ত কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেব। তবে কোনো দলকে নয়।”
‘প্রত্যাবর্তন না পরিবর্তন’
রাঙামাটিতে বিএনপি দীপেন দেওয়ান, জামায়াত ইসলামীর অ্যাডভোকেট মোখতার আহমেদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুঁই চাকমা এবং এনসিপির প্রিয় চাকমাকে প্রার্থী করেছে।
অতীতে এ আসনে বার বার জয়লাভ করেছে আওয়ামী লীগ। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জয় পেয়েছিলেন বিএনপির মনিস্বপন দেওয়ান। জেএসএসের উষাতন তালুকদারও একবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেছেন।

পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দীপেন দেওয়ান বিএনপির হয়ে এই প্রথমবারের মত নির্বাচনের মাঠে নামলেন। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা ধারণা করেন, এখানে হয়ত বিএনপিকে জেএসএসকে মোকাবিলা করতে হবে। জামায়াত তো রয়েছেই।
যদি দীপেন জিততে পারেন, তাহলে ১৯৯১ সালের পর দলকে তিনি আসনটি উপহার দিতে পারবেন। এটা তার সামনে সুযোগ।
আর জেএসএস তাদের শক্তিশালী অবস্থানকে কেন্দ্র করে ঘাঁটি ধরে রাখতে চাইবে সেটাই স্বাভাবিক। অনেকে এটাকে ‘পরিবর্তন ও প্রত্যাবর্তনের খেলা’ হিসেবে দেখছেন।

বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জেলা ও উপজেলায় নির্বাচনি গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। অন্য দলের প্রার্থীদের এখনো তেমন প্রচার বা গণসংযোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।
বিএনপি প্রার্থী দীপেন দেওয়ান বলেন, “বিএনপি পাহাড়ে বসবাসরত সব জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায়ে কাজ করবে। কোনো জনগোষ্ঠীই যাতে পিছিয়ে না থাকে সেজন্য আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করব।”
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোখতার আহমেদ বলেন, “পাহাড়ে সবার ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়নে আমার দল সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকবে।”