Published : 28 Oct 2025, 12:59 PM
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে ইসলামী ব্যাংকসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নিয়ে বিএনপির আপত্তির মধ্যে ইসির সঙ্গে বৈঠক করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
মঙ্গলবার সকালে আগারগাঁওয়ে নির্বাচনে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল।
সিইসি ছাড়াও অন্য নির্বাচন কমিশনাররা এ বৈঠকে রয়েছেন।
ভোটের দায়িত্বে থাকেন রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার, যাদের সংখ্যা প্রায় ৯-১০ লাখ।
পাঁচ দিন আগে বিএনপির প্রতিনিধি দল ইসির সঙ্গে বৈঠক করে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে ‘বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধদের’বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ করেছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান বলেছেছিলেন, কোনোভাবে যেন বিতর্কিতদের ভোটের দায়িত্ব দেওয়া না হয়।
বৈঠকে বিএনপির তরফে অনুরোধ করা হয়, নির্বাচনের ‘নিরপেক্ষতা বজায়’ রাখার স্বার্থে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা বা পোলিং পারসোনাল তথা প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে সর্বমহলে চিহ্নিত এমন প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া যাবে না। যেমন—ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, ইবনে সিনা ইত্যাদি।
এরপর জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে ‘সেবামূলক প্রতিষ্ঠানকে’ নির্বাচনি দায়িত্ব না দেওয়ার বিএনপির ‘অযৌক্তিক আহ্বানে’ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
গোলাম গোলাম পরওয়ার রোববার বলেন, “গত ২৩ অক্টোবর দেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল বিএনপি নির্বাচন কমিশনের প্রতি ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক এবং ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল ও ইবনে সিনা হাসপাতালসহ বিভিন্ন সেবামূলক ও অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের নির্বাচনী দায়িত্ব না দেওয়ার যে আহ্বান জানিয়েছে- তাতে আমি উদ্বেগ প্রকাশ করছি।
“আমরা মনে করি, এই দাবি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, অযৌক্তিক ও সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। এর পেছনে কোনো যৌক্তিক কারণ নেই।”
এবার নির্বাচন কমিশনে গিয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরছে জামায়াত।