Published : 18 Jun 2013, 10:42 AM
ফলে আগামী ৬ জুলাই অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনে মেয়র পদে লড়তে পারছেন সচেতন নাগরিক পরিষদ মনোনীত এই প্রার্থী।
এর আগে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মো. জাহাঙ্গীর আলমকেও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার অনুমতি দিতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেয় হাই কোর্ট।
দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মেয়র পদে জাহাঙ্গীর মনোনয়নপত্র জমা দিলেও তা বাতিল করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
নবগঠিত গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আজমতউল্লাহ খান। বিরোধী জোটের সমর্থনে লড়বেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান।
এই নির্বাচনে মঙ্গলবার মেয়র প্রার্থীদের (৬ জন) প্রতীক বরাদ্দের পরই ডা. নাজিমের পক্ষে হাই কোর্টের আদেশ আসে। পরে ডা. নাজিমকে ঘোড়া প্রতীক বরাদ্দ দেয় নির্বাচন কমিশন।
নাজিমের রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি করে বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের বেঞ্চ তাকে নির্বাচনে লড়ার অনুমতি দিতে ইসিকে আদেশ দেয়।
আদালতে নাজিমের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এ কে এম নজরুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আল আমিন সরকার। সকালে ওই প্রার্থীর পক্ষে অ্যাডভোকেট মো. কামাল হোসেন রিট আবেদনটি দায়ের করেন।
এই প্রার্থী গত ৫ জুন মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়পত্র দাখিল করেন। যাচাই বাছাইয়ের পর গত ৯ জুন গাজীপুর সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে দেয়।
জাকারিয়া আহমেদ নামে এক ব্যক্তির খেলাপি ঋণের জামিনদার হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে দেয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি পত্রের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন।
আপিল কর্তৃপক্ষে নিকট তিনি আবেদন করলে গত ১৪ জুন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ওই আবেদনও খারিজ করে দেন।
নাজিমের আবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক গত ৯ জুন প্রথম বারের মতো ওই তথ্য প্রকাশ করে। যখন বাংলাদেশ ব্যাংক ওই চিঠি দিয়েছে তখন তিনি এই দায় থেকে মুক্ত হয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক থেকে সনদ নিয়েছেন।
আদালত শুনানির পর এ বিষয়ে রুল জারি করে। পাশপাশি রুল বিবেচনাধীন থাকাকালে প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে নির্বাচনে অংশ নেয়ার অনুমতি দিতে নির্দেশ দেয়।
একইসঙ্গে আবেদনকারীর মনোনয়নপত্র বাতিল ও ওই আদেশ বহাল রেখে দেয়া আপিলের সিদ্ধান্তের কার্যকারিতাও স্থগিত করে হাই কোর্ট।
আবেদনকারীর মনোনয়নপত্র বাতিল ও ওই আদেশ বহাল রেখে দেয়া আপিলের সিদ্ধান্ত কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না এবং আবেদকারীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, রুলে তা জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার, গাজীপুর সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা, গাজীপুরের জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডের টঙ্গী শাখার ব্যবস্থাপককে এই রুলের জবাব দিতে হবে।