ঢাকা, নভেম্বর ১৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- আপত্তি ওঠা ২৫টি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থার বিষয়ে আগামী ২৪ ও ২৫ নভেম্বর শুনানি গ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তা এসএম আসাদুজ্জামান মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, "নির্ধারিত দিনে কমিশন দুই পক্ষের বক্তব্য শুনবে। এরপর সংস্থাগুলোকে নিবন্ধন দেওয়া বা না দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।"
ইসির সম্মেলন কক্ষে শুনানির সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ টি এম শামসুল হুদা ও দুই কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন ও এম সাখাওয়াত হোসেন উপস্থিত থাকবেন।
'দলীয় সম্পৃক্ততার অভিযোগ এনে গত ১৬ নভেম্বর আওয়ামী লীগ ২০টি ও বিএনপি চারটি সংস্থার বিরুদ্ধে আপত্তি জানায়। এরমধ্যে দুই দলই 'কোস্ট ট্রাস্ট' এর বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়েছে। এছাড়া, স্থানীয়ভাবে নওগাঁ ও কুড়িগ্রামের দুটি সংস্থার বিরুদ্ধে আপত্তি আবেদন জমা পড়েছে ইসিতে।
এসএম আসাদুজ্জামান জানান, আওয়ামী লীগ যেসব সংস্থার বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়েছে সেগুলো হলো- বিসিডিজেসি, ডেমোক্রেসি ওয়াচ, ফেমা, জাগরণী চক্র, খান ফাউন্ডেশন, লাইট হাউজ, নোয়াখালী রুর্যাল ডেভলেপমেন্ট সোসাইটি, শরীয়তপুর ডেভলপমেন্ট সোসাইটি, সৃজনী, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, এএমইউএবি, হিলফুল ফুজুল সমাজ কল্যাণ সংস্থা, ন্যাশনাল ইয়্যুথ ফোরাম বাংলাদেশ, যুগায়ন সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা, ইউনিটি অব সোশ্যাল অ্যাডভান্টেজ, ব্রেভ, কোস্ট ট্রাস্ট, ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ফর দ্য পুওর, নারী উদ্যোগ কেন্দ্র ও এএনএফআরইএল।
এছাড়া, বিএনপি'র পক্ষ থেকে কোস্ট ট্রাস্ট, ব্রতী, আইডি ও বাংলাদেশ মানবাধিকার সমন্বয় পরিষদের বিষয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে।
স্থানীয় পর্যায়ের দু'টি সংস্থা হলো- সলিডারিটি (কুড়িগ্রাম) ও আবাদ পুকুর পল্লী সমাজ উন্নয়ন সংস্থা (নওগাঁ)।
গত ১৩ নভেম্বর নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ১৩৮টি সংস্থার নাম প্রাথমিকভাবে বাছাই করে। এরমধ্যে কোনো সংস্থার বিষয়ে আপত্তি থাকলে ১৬ নভেম্বরের মধ্যে আপত্তি জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
এবার ৩১৯ টি সংস্থা নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য আবেদন করেছিল। এরমধ্যে যারা পর্যবেক্ষণ নীতিমালা অনুসরণ করে আবেদন করেনি, তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানান ইসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এসএম আসাদুজ্জামান।
চূড়ান্তভাবে বাছাইয়ের পর নিবন্ধিত সংস্থাগুলো আগামী এক বছর কমিশনের সব নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে পারবে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এমএইচসি/এসএনডি/এসকে/২০২৫ঘ.