বিএনপি নেতা রবিনকে ‘তুলে নেওয়ার’ অভিযোগ
রিজভী বলেন, “পরিবারের সদস্যদের সাথে আমি কথা বলেছি। তারা ডিবি অফিসে গেছেন তার খোঁজ নিতে। তারা স্বীকার করছে না।”
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিনকে গভীর রাতে পুলিশ ‘তুলে নিয়ে গেছে’ বলে দাবি করেছেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
শনিবার রাত ৩টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিএনপি অফিস থেকে বের হওয়ার পর কাকরাইলের নাইটিঙ্গেল রেস্তোরাঁর কাছ থেকে রবিনকে ‘তুলে নিয়ে’ যাওয়া হয়।
“তানভীর আহমেদ রবিন সেন্ট্রাল অফিস থেকে বেরিয়ে মোটরসাইকেলে করে বাসায় যাচ্ছিলেন। তাকে নাইটিঙ্গেল রেস্তোরাঁর মোড় থেকে গোয়েন্দা পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। পরিবারের সদস্যদের সাথে আমি কথা বলেছি। তারা ডিবি অফিসে গেছেন তার খোঁজ নিতে। তারা স্বীকার করছে না।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার (মিডিয়া) ফারুক হোসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "তাকে গ্রেপ্তার করার বিষয়ে আমি অবগতি নই।"
গভীর রাতের ব্রিফিংয়ে রিজভী বলেন, “এরকম গত পরশু ছাত্রদলের ৫ নেতাকে গোয়েন্দারা তুলে নিয়ে গেলেও তারা স্বীকার করেনি। পরে দেখা গেল কি? গতকাল রাতে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এই হচ্ছে সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থা। আমি অবিলম্বে রবিনের মুক্তি দাবি করছি।”
বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম মজনুকে পুলিশ গ্রেপ্তার করা পর গত ৬ জুন রবিন ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিবের দায়িত্ব পান।
গত ৩ অগাস্ট হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়ে বাসায় ফেরার পথে রবিনের বাবা বিএনপির বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সাবেক সাংসদ সালাউদ্দিন আহমেদকে গোয়েন্দা পুলিশ আটক করে নিয়ে যায় এবং পরে গ্রেপ্তার দেখায়।
রিজভী বলেন, “গতকাল সারা রাত আমাদের অফিসের চারপাশে গোয়েন্দা পুলিশ অবস্থান করে। যারাই বেরিয়েছে, তাদের তারা তুলে নিয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত আমাদের ১৫ জন নেতাকর্মীকে তারা তুলে নিয়ে গেছে।”
