“আমরা বিশ্বাস করি, যে দুই হাজার মানুষকে এখানে হত্যা করা হয়েছে, তার দায়ে শেখ হাসিনার বাংলাদেশে সর্বোচ্চ শাস্তি হবে,” বলেন তিনি।
Published : 16 Dec 2024, 12:38 PM
অদূর ভবিষ্যতে বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
তিনি বলেছেন, “আগামী দিনে যে বাংলাদেশ হবে, সেই বাংলাদেশ হবে বৈষম্যমুক্ত।”
সোমবার সকাল ১০টায় সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে একাত্তরের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আখতার হোসেন বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, সামনে যে বাংলাদেশ হবে- সে বাংলাদেশে কখনো কোনো ফ্যাসিবাদ মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে না। আগামী দিনে যে বাংলাদেশ হবে, সে বাংলাদেশের সমস্ত ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকবে বাংলাদেশের জনগণ।”
তিনি বলেন, “আমরা চল্লিশকে ধারণ করি, সাতচল্লিশকে ধারণ করি, একাত্তরকে ধারণ করি, নব্বই, চব্বিশ বাংলাদেশের এই ভূখণ্ডের মানুষের যত গণ আন্দোলন, মুক্তির যত সংগ্রাম- সবগুলোকে আমরা ধারণ করি।”
ছাত্র-জনতার তীব্র গণআন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনে যারা সংগঠক হিসেবে কাজ করেছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক ও অধুনালুপ্ত গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির সভাপতি আখতার হোসেন।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাষ্ট্র পুনর্গঠন, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও ‘নতুন বাংলাদেশের’ রাজনৈতিক বন্দোবস্ত সফল করার লক্ষ্যে গত ৮ সেপ্টেম্বর আত্মপ্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক কমিটি; যেটির সদস্য সচিবের দায়িত্বে আছেন আখতার।
তিনি স্মৃতিসৌধে বলেন, “আমরা সব সময় বলি, একাত্তরে যারা যুদ্ধাপরাধ করেছে, তাদেরকে যেন বিচারের আওতায় নিয়ে আসা হয়। আবার চব্বিশে যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে, গণহত্যা করেছে- শেখ হাসিনাসহ যারা আছে, তাদের সকলকে যেন নিয়ে এসে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানো হয়।
“আমরা এর আগে জুডিসিয়াল কিলিং দেখেছি, বিচারের নামে প্রহসন দেখেছি। আমরা বাংলাদেশের মানুষ বিচারের নামে আর কোনো প্রহসন দেখতে চাই না। আমরা বিশ্বাস করি, যে দুই হাজার মানুষকে এখানে হত্যা করা হয়েছে, তার দায়ে শেখ হাসিনার বাংলাদেশে সর্বোচ্চ শাস্তি হবে। সঠিক বিচার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এটা সম্ভব।”