০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল পরিচালিত গণহত্যা ও হামলার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় তারাও এখন যুদ্ধবাজ চক্রের আক্রোশের শিকার হচ্ছে।
মার্কিন প্রশাসনের চোখে ইরান কোনো দেশ নয়, একটি ‘রেজিম’ মাত্র। অথচ তাদের বশংবদ স্বৈরাচারী রাজতন্ত্রগুলো তাদের কাছে ‘গণতান্ত্রিক বন্ধু’! ইরানকে পাথরযুগে পাঠানোর হুমকির আড়ালে কি আসলে সভ্যতার বিনাশ আর আধিপত্যবাদের কূটচাল লুকিয়ে আছে?
একজন আইনবিদ বলছেন, ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
যুদ্ধের প্রথম দিনে ইরানে এক স্কুলে হামলার ঘটনাকে উল্লেখ করে বিশেষজ্ঞরা বলেন, “স্কুল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও বাড়িঘরে হামলার ঘটনায় তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।”
“জাতীয় সংগীতের সময় দাঁড়াতে অস্বীকারকারী সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে সংসদীয় বিধিমালা অনুযায়ী যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।”
রাজনীতি বিশ্লেষক সাব্বির আহমেদ বলছেন, যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিতদের নাম শোকপ্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিএনপি ও জামায়াতের ‘সমঝোতার ভিত্তিতে’ হয়েছে বলেই তার মনে হয়েছে।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা, হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতনের মত মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ ‘প্রমাণিত হওয়ায়’ তাদের দণ্ড দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল ট্রাইব্যুনালের রায়ে।
আটটি অভিযোগের মধ্যে সাতটিতে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল।