Published : 25 Dec 2025, 11:25 AM
তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার পথে 'ঐক্যবদ্ধভাবে' কাজ করে যাওয়ার প্রত্যাশা তুলে ধরেছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে এক ফেইসবুক পোস্টে তিনি এ প্রত্যাশার কথা বলেন।
দেড় যুগ ধরে যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরছেন দুপুরে। তাকে ঢাকার তিনশ ফিট সড়কে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে।
সারজিস বলেন, "বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান প্রায় দেড় যুগ পর বাংলাদেশে ফিরছেন। স্বৈরাচারের পতন, পরিবর্তিত পরিস্থিতি, নানা উত্থান-পতন, রাজনৈতিক ক্রমধারার এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে, গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে তিনি আজ বাংলাদেশে আসছেন। আমরা ২৪ এর অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে তাকে স্বাগত জানাই।
"পূর্ব অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান বাস্তবতাকে সামনে রেখে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক লড়াই, আধিপত্যবাদবিরোধী লড়াই থেকে শুরু করে আগামীর কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার পথে বাংলাদেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা কাজ করে যাব, এটাই প্রত্যাশা। স্বাগতম।"
তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সারাদেশ থেকে লাখো মানুষ ঢাকায় এসেছে।
লন্ডন থেকে তারেক রহমানকে বহন করা বাংলাদেশ বিমানের বিজি-২০২ ফ্লাইটটি সিলেটে পৌঁছেছে সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে, যাত্রাবিরতি শেষে ফ্লাইটটি ঢাকায় পৌঁছাবে বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে; এ ফ্লাইটেই আসছেন তারেক রহমান এবং তার পরিবারের সদস্যরা।
বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানাবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।
ভিআইপি লাউঞ্জের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে তারেক রহমান যাবেন জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ের (তিনশ ফিট সড়ক) কাছে সংবর্ধনার অনুষ্ঠানস্থলে। সেখানে মঞ্চে উঠে নেতা-কর্মীসহ দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষ করে তারেক রহমান তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। বসুন্ধরার এই হাসপাতালে গত ২৩ নভেম্বর থেকে ভর্তি আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
এভারকেয়ার থেকে পরে তারেক রহমান এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা যাবেন গুলশান অ্যাভেনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসায়। সেখানেই তারা থাকবেন।