Published : 22 Oct 2023, 09:00 AM
আগারাগাঁওয়ের রাজস্ব ভবনের পাশ দিয়ে চলে যাওয়া এই খালকে স্থানীয়রা জানেন ‘বিএনপি বস্তির খাল’ বা ‘খাল পাড়’ নামে। দীর্ঘসময় সময় ধরে এই খালের খননও হয় না বলে জানান স্থানীয়রা।
খালের পাড় ঘেঁষে হাঁটাপথের অধিকাংশটাই দখল হয়ে গেছে; সেখানে এখন নিম্নআয়ের মানুষের ঘরবসতি। অনেক ঘরের বাঁশের খুঁটি বসানো খালের পানিতেই। রাজস্ব ভবনের পাশ দিয়ে একটু এগোলেই চোখে পড়বে এই চিত্র।
রাজস্ব ভবন ছেড়ে কামাল সরণি বা ‘৬০ ফিট’ রোড ধরে মিরপুরের দিকে এগোলে হাতের বাম পাশে রয়েছে এই একই খাল। এখানে এসে এটি হয়ে গেছে ‘৬০ ফিট রোডের খাল’।
পারাপারে জন্য খালের ওপর বাঁশের সেতু; আর এর নিচ থেকে চলে গেছে ওয়াসার পানির লাইন। এই পানির লাইনে প্লাস্টিক বর্জ্য আটকে থাকায় খালের পানি প্রবাহে নেই স্বাভাবিক গতি।
কামাল সরণি বা ‘৬০ ফিট রোড’ দিয়ে তথ্য কমিশন ভবনে যেতে এই খালের উপর রয়েছে একটি কালভার্ট। কালভার্টের নিচ দিয়ে পানি প্রবাহের ব্যবস্থা থাকলেও আবর্জনা জমে থাকায় তা প্রায় বন্ধ।
‘৬০ ফিট সড়ক’ থেকে খালটি গেছে শ্যামলী ২ নম্বর রোডের কাজী অফিস বাজারে। এখানে খালটিকে মানুষ চেনে ‘কাজী অফিসের কালভার্ট খাল’ নামে। এখানে পারাপারের জন্য খালের উপর রয়েছে কাঠ-বাঁশের অনেকগুলো সেতু।
কাজী অফিসের কালভার্টের উপর ঢাকা ওয়াসার একটি সাইনবোর্ডে খাল তত্ত্বাবধানের কথা লেখা থাকলেও বাস্তবে তার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি।
শ্যামলী ২ নম্বর সড়ক হয়ে কাজী অফিসের কালভার্টের উপরের জায়গা দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে থানা যুবলীগের কার্যালয়। কার্যালয়ের পেছনে খালের চেহারা এমন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, শ্যামলী ২ নম্বর সড়কের কাজী অফিসের কালভার্ট এলাকায় এই খালের খনন হয় না ছয়-সাত বছর ধরে। ফলে খালটির নাব্যতা কমে গেছে।
শ্যামলী ২ নম্বর সড়কের কাজী অফিসের কালভার্টের নিচে জমা থাকা আবর্জনা পরিষ্কার না করলেও সেখানেই এই ব্যক্তি খুঁজছেন প্লাস্টিক।