Published : 11 Sep 2026, 04:08 PM
মধ্যপ্রাচ্য বলে পরিচিত পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের বহ্নিশিখা ছড়িয়ে পড়াটা আর যাই হোক—আকস্মিক কিছু নয়। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা সরাসরি আঘাত হেনেছে সৌদি আরবের প্রাণভোমরা আরামকোর তেল স্থাপনা ও সামরিক অবকাঠামোর গভীরে। প্রতিশোধ নিতে সৌদি আরবের নেতৃত্বে ইয়েমেনি জোটও পাল্টা হামলা চালাচ্ছে হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ওপর।
তবে বৃহস্পতিবার ঘটেছে সবচেয়ে বড় অঘটন। সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনীকে হটিয়ে লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বার—কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী মোখা—এখন হুতিদের দখলে। আল-জাজিরার সূত্রে আসা খবরটি কেবল যুদ্ধের খবর নয়, ভূ-রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো বিরাট ধাক্কা। বাব-আল-মানদেব প্রণালির চাবিকাঠি হুতিদের হাতে চলে যাওয়া মানে সংঘাতের বিস্তার নয়; বিশ্ববাণিজ্য ও আঞ্চলিক ক্ষমতার ভারসাম্যে ইরানের পাল্লা ভারী হয়ে ওঠার স্পষ্ট ইঙ্গিত।
এর ফলে এশিয়ার দেশগুলো থেকে ইউরোপ-আমেরিকাগামী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে এডেন উপসাগর দিয়ে লোহিত সাগর হয়ে সুয়েজ খাল অতিক্রম করতে গেলে হুতিদের অনুমতি লাগবে। এই সামুদ্রিক পথ দিয়ে বিশ্ববাজারে তেল-গ্যাস পরিবহন এখন থেকে হুতিদের এবং পরোক্ষভাবে বলতে গেলে ইরানের ওপর নির্ভর করবে। এর ফলে সবচেয়ে বিপদে পড়েছে সৌদি আরব।
যুদ্ধ যেদিকে যাচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে ইরান এই যুদ্ধে চালকের আসনে রয়েছে।
সৌদি আরবের জন্য হুতিদের এই সামরিক সফলতা ‘বোঝার ওপর শাকের আঁটি’র মতো। এমনিতেই ইরানের কারণে তারা পূর্ব পাশের বন্দরগুলো থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ পারাপার করতে পারছে না। এখন পশ্চিম পাশের বন্দর থেকে সুয়েজ হয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল হুমকির মুখে। বলতে গেলে সৌদি আরব পুরোপুরি সামরিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে পড়ে গেল।
সৌদি আরবের এই বিপর্যয়ের প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ইরানকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, সৌদি আরবে হুতিদের আক্রমণ বন্ধ না হলে অগাস্ট মাসে সম্পাদিত মক্কা চুক্তি সক্রিয় হবে। অর্থাৎ তারা সৌদি আরবকে রক্ষা করতে দেশটির পক্ষে সামরিকভাবে দাঁড়াবে; লড়াই করবে।
কোনো প্রকার রাজনৈতিক সমঝোতা না হলে হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের পক্ষে পাকিস্তান ও তুরস্ক যুদ্ধ করতে পারে—এমনটাই মনে হচ্ছে। এবং এর ফলে পশ্চিম এশিয়ায় সেই যুদ্ধ আরও বৃদ্ধি পাবে।
মক্কা চুক্তি কী?
সৌদি আরবের মক্কা নগরীতে ২০২৬ সালের ৭ অগাস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয় একটি সম্মিলিত প্রতিরক্ষা চুক্তি—‘মক্কা প্রতিরক্ষা জোট’। মুসলিম বিশ্বের তিন দেশ: সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। এটিকে মুসলিম বিশ্বের ‘নেটো জোট’ বলেও অনেকে অভিহিত করছেন। চুক্তির মূল কথা হলো, তিন দেশের কেউ আক্রান্ত হলে সেটি সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে এবং সবাই একসঙ্গে যুদ্ধ করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে; যা নেটোর অনুচ্ছেদ ৫-এর মতো।
নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চলে গেলে সেই শূন্যতা পূরণ করতেই মক্কা চুক্তির উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব।
এই যুদ্ধ শুরুর কিছুদিন আগে বাংলাদেশকে মক্কা সামরিক জোটে যোগ দেওয়া না দেওয়া নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান সংসদকে অবহিত করেন, বাংলাদেশ এখনও মক্কা জোটে যোগ দেয়নি। জোটে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেলে সেটি ইতিবাচক হিসেবে বিবেচনা করবে সরকার।
মক্কা চুক্তির পক্ষে যারা কথা বলছেন, তাদের মতে, এই চুক্তিতে যুক্ত হলে ভারতের সম্ভাব্য সামরিক হুমকি মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশে সামরিক কোনো কিছু করার চিন্তাভাবনা থাকলে সেখান থেকে হয়তো সরে আসবে ভারত। সেটি হয়তো একদিক থেকে সঠিক, কিন্তু এর বিপরীতটাও চিন্তা করার দরকার আছে।
মক্কা জোটে যোগ দেওয়া কি উচিত বাংলাদেশের?
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান, সামরিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা, পররাষ্ট্রনীতির ঐতিহ্য, জাতীয় নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ইত্যাদি বিষয়গুলো মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নিতে গেলে বলতে হবে, মক্কা জোটে যোগ দেওয়া বাংলাদেশের জন্য মারাত্মক একটি ভুল সিদ্ধান্ত হবে। কারণ এই সামরিক জোটের অন্য তিন দেশ যেভাবে লাভবান হবে, বাংলাদেশ সেভাবে হবে না। বরং বৈশ্বিক রাজনীতির প্যাঁচে পড়ে যাবে বাংলাদেশ, যা দেশের জন্য মারাত্মক পরিণতি বয়ে আনবে।
সৌদি আরব বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশ এবং তেল সম্পদে পরিপূর্ণ। হুতি বিদ্রোহীদের ঠেকানো তাদের অস্তিত্বের বিষয়। সৌদি আরবের তেল রপ্তানির দুই সামুদ্রিক পথই ইরানের নিয়ন্ত্রণে বলা যায়। দেশটির পূর্ব দিকে হরমুজ প্রণালি, যেটির ওপর ইরান একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে রেখেছে।
হুতি বিদ্রোহীরা ইরানের কাছ থেকে সামরিক সরঞ্জাম, গোপন তথ্য এবং রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক সমর্থন পেয়ে থাকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত হুতি বিদ্রোহীদের দমন করতে কাজ করে যাচ্ছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মাসের পর মাস সামরিক অভিযান চালিয়ে, সমুদ্র ও অর্থনৈতিক অবরোধ দিয়ে এখন পর্যন্ত ইরানের কিছু করতে পারেনি। বরং একের পর এক মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করে দিচ্ছে ইরান। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র হয়তো সৌদি আরবসহ মিত্র দেশগুলোকে আর নিরাপত্তা দিতে পারবে না।
মক্কা জোটের আরেক দেশ তুরস্ক। তাদের জাতীয় প্রাধান্য এবং নিরাপত্তা আমাদের মতো নয়। তুরস্ক অর্থনৈতিকভাবে খুব শক্তিশালী না হলেও দুর্বল নয়। ইউরোপের মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনী তুরস্কের এবং দেশটি পশ্চিমা সামরিক জোট নেটোর সদস্য।
এছাড়া, ড্রোন ও সামরিক সরঞ্জামাদি উৎপাদনে তুরস্ক বিশ্বে একটি বড় দেশ বলা যায়। তুরস্কের বায়রাক্তার টিবি-২ ড্রোনের কারণে ২০২০ সালের যুদ্ধে আজারবাইজানের সঙ্গে যুদ্ধে পরাজিত হয়ে ১৯৯১ সাল থেকে দখলে থাকা নাগোর্নো-কারাবাখ ছিটমহল হারায় আর্মেনিয়া। রাশিয়ার উন্নত অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত আর্মেনীয় বাহিনীর পতনের জন্য তুরস্কের এই ড্রোন ছিল মূল অস্ত্র। পশ্চিমা সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে তুরস্কের এই ড্রোন ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছে ইউক্রেইন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত এফ-৩৫ বিমান পেতে পারে তুরস্ক; যদিও ইসরায়েল এই বিমান সরবরাহ না করতে দিতে চাপ দিয়ে যাচ্ছে ডনাল্ড ট্রাম্পকে।
২০২৪ সালে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতন হওয়ার পর সিরিয়াতে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে তুরস্ক ও ইসরায়েলের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে। এই প্রেক্ষাপটে তুরস্কের সঙ্গে ইসরায়েল যুদ্ধে জড়িয়ে যেতে পারে বলে অনেকেই আশঙ্কা করছেন। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেটি চায় না। তবে ইসরায়েলের সম্ভাব্য আক্রমণের বিষয়ে সতর্ক রয়েছে তুরস্ক। সে কারণেই ইসরায়েলকে মোকাবিলা করতে অন্য দুই দেশ সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে জোট করেছে দেশটি, যা তাদের জাতীয় নিরাপত্তাকে নিশ্চিত করবে।
পাকিস্তান সামরিক দিক থেকে খুব শক্তিশালী না হলেও দুর্বল নয়। তাদের রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্র ও উন্নত বিমান ব্যবস্থা, যা তারা ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে দেখিয়েছে। পাকিস্তান মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বিশেষ করে সৌদি আরবে নিরাপত্তার কাজ করে, মক্কা শরিফের নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। বিপরীতে তারা সেখানকার অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে অর্থনৈতিক এবং আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সমর্থন পেয়ে থাকে।
এখন ভেবে দেখতে হবে, মক্কা চুক্তিতে যোগ দিলে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ কীভাবে সংরক্ষিত হবে।
হুতি বিদ্রোহীরা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের কোনো বাণিজ্যিক অথবা সামরিক জাহাজে আক্রমণ করেনি। আমাদের জাহাজগুলো নিরাপদেই তেল-গ্যাস পরিবহন করছে।
মক্কা চুক্তিতে যোগ দিলে হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও ইরানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের অবনতি হবে—সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। মনে রাখতে হবে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান একটি বিশাল সামরিক শক্তি। তারা ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ আরও পাকাপোক্ত করতে পারে। একই সঙ্গে লোহিত সাগরে হুতিদের মাধ্যমে বাব-আল-মানদেব নিয়ন্ত্রণ করবে। ফলে লোহিত সাগর দিয়ে জাহাজ চলাচলে তাদের নিয়ন্ত্রণ থাকবে।
বাংলাদেশের মতো আমদানি-নির্ভর দেশের পক্ষে মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার চিন্তা করা আত্মঘাতী হবে। কারণ ভারত যদি পাকিস্তান আক্রমণ করে, তাহলে মক্কা চুক্তি অনুসারে ভারতের সঙ্গে আমাদের যুদ্ধ করতে হবে। সেটি কি আমরা করতে পারব? সেই সক্ষমতা ও ভৌগোলিক অবস্থান আছে বাংলাদেশের? ইসরায়েল তুরস্ককে আক্রমণ করলে আমরা সেনা, বিমান ও নৌসেনা পাঠিয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ করব? সেটি কি যৌক্তিক হবে? ইরান সৌদি আরবকে আক্রমণ করলে আমরা ইরানের বিপক্ষে যুদ্ধ করব? আর আমরা ভারত দ্বারা আক্রান্ত হলে ওই তিন দেশ কি এগিয়ে আসবে?
মক্কা চুক্তিতে স্বাক্ষর করলে সৌদি আরবকে রক্ষা করতে এখনই পাকিস্তানের মতো বাংলাদেশকেও হুতি বা ইরানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হতো; প্রয়োজনে যুদ্ধে যেতে হতো—যা আমাদের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
ইউরোপ-আমেরিকার উস্কানিতে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়েছে ইউক্রেইন। যুদ্ধের ফলাফল কী হবে সেটি পরের বিষয়, কিন্তু এই যুদ্ধে ইউক্রেনের লাখ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। দেশটিকে একটি শ্মশান করে দিচ্ছে শক্তিশালী দেশ রাশিয়া।
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’ নির্ধারণ করা হয়েছে। বিএনপি সরকার সবসময়ই এই পররাষ্ট্রনীতি মেনে চলেছে। সেখান থেকে সরে এসে সরকার কেন মক্কা জোটে যোগ দেওয়ার কথা বলছে, তা বোধগম্য নয়।
সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল দেশ তার জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করবে কূটনীতির মাধ্যমে। এ ব্যাপারে কূটনীতিতে ‘ছোট মাছ-বড় মাছ তত্ত্ব’ রয়েছে। ছোট মাছ একটি বড় মাছের ততটাই কাছে যাবে, যে দূরত্ব থেকে সে বড় মাছকে পরিষ্কারভাবে দেখতে পাবে; কিন্তু বড় মাছ তাকে খেয়ে ফেলার চেষ্টা করলে সে সরে যেতে পারবে।
ভৌগোলিকভাবে কিছুটা অসুবিধাজনক অবস্থায় থাকা বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত হতে হবে মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে, অর্থনৈতিক অগ্রগতির মাধ্যমে, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের মাধ্যমে।
তবে সামরিক শক্তিকে কোনোভাবেই খাটো করে দেখা যাবে না। বাংলাদেশকে সামরিকভাবে দুর্বল করে এবং জাতীয় স্বার্থে যুদ্ধভীতির কারণে বাংলাদেশের ঘাড়ে প্রায় দশ লাখ রোহিঙ্গা চাপিয়ে দিয়েছে মিয়ানমার। সেই সংখ্যা এখন প্রায় ১৫ লাখ। সঠিক সময়ে কিছুটা সামরিক ব্যবস্থা নিলে হয়তো রোহিঙ্গা সংকট আজকে এই রূপ নিত না।
ইরান-আমেরিকা-ইসরায়েল এবং রাশিয়া-ইউক্রেইন যুদ্ধের মাধ্যমে যুদ্ধের ধরন পরিবর্তিত হয়ে গেছে। আমাদের উচিত হবে দেশে সামরিক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা এবং সস্তা ও উন্নত সামরিক প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটিয়ে নিজেদের প্রয়োজনের নিরিখে সামরিক সরঞ্জামাদি প্রস্তুত করা। মনে রাখতে হবে, কখনও যুদ্ধ শুরু হলে অস্ত্র পাওয়া যাবে, কিন্তু প্রশিক্ষণ রাতারাতি আসবে না। বিষয়টি মাথায় রেখে কাজ করতে হবে।
কামরান রেজা চৌধুরী পেশায় সাংবাদিক–সংসদীয় রাজনীতি নিয়ে প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করছেন তিন দশক ধরে। ই-মেইল: kamran.reza@gmail.com