চেমা খালের ধারে জনেরাং পাড়া

বান্দরবানের গহীনে চেমা খালের পাশে ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম জনেরাং ত্রিপুরা পাড়ায় ২২ ঘর ত্রিপুরার বসবাস। এক সময়ে এ গ্রামের বাসিন্দারা ছিলেন নিরক্ষর; এখন একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে সেখানে। দুর্গম পাহাড়ের এ গ্রাম থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়তে গেছেন কেউ কেউ; একটি পরিবার পাড়ি জমিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে।
  • রুমা উপজেলার কমলা বাজার থেকে পাহাড়ি পথে পায়ে হেঁটে রওনা দিলে দুই ঘণ্টার পথ। রুমার বগালেক এবং থানচি উপজেলার বলিবাজারের মাঝামাঝি জনেরাং ত্রিপুরা পাড়ার অবস্থান।

    রুমা উপজেলার কমলা বাজার থেকে পাহাড়ি পথে পায়ে হেঁটে রওনা দিলে দুই ঘণ্টার পথ। রুমার বগালেক এবং থানচি উপজেলার বলিবাজারের মাঝামাঝি জনেরাং ত্রিপুরা পাড়ার অবস্থান।

  • এ গ্রামের গোড়াপত্তন করেছিলেন প্রয়াত জনেরাং ত্রিপুরা। তার নামেই পাড়ার নাম। বাসিন্দাদের বেশিরভাগই জুম চাষী। তবে দুর্গম এ পাহাড়ি গ্রামেও এখন পৌঁছেছে শিক্ষার সুযোগ।

    এ গ্রামের গোড়াপত্তন করেছিলেন প্রয়াত জনেরাং ত্রিপুরা। তার নামেই পাড়ার নাম। বাসিন্দাদের বেশিরভাগই জুম চাষী। তবে দুর্গম এ পাহাড়ি গ্রামেও এখন পৌঁছেছে শিক্ষার সুযোগ।

  • পার্বত্য চট্টগ্রামের বেশিরভাগ পাহাড়ি পল্লীর মত জনেরাং ত্রিপুরা পাড়ার ঘরগুলোও তৈরি হয়েছে বাঁশ ও কাঠের তৈরি মাচার ওপর।

    পার্বত্য চট্টগ্রামের বেশিরভাগ পাহাড়ি পল্লীর মত জনেরাং ত্রিপুরা পাড়ার ঘরগুলোও তৈরি হয়েছে বাঁশ ও কাঠের তৈরি মাচার ওপর।

  • জনেরাং ত্রিপুরা পাড়ার পাশেই আছে ছোট ছোট জুমঘর। জুমচাষের সময় থেকে ধান মাড়াই পর্যন্ত জুম ফসল সংরক্ষণ ও নিজেদের থাকার জন্য এ ঘরগুলো বানানো হয়।

    জনেরাং ত্রিপুরা পাড়ার পাশেই আছে ছোট ছোট জুমঘর। জুমচাষের সময় থেকে ধান মাড়াই পর্যন্ত জুম ফসল সংরক্ষণ ও নিজেদের থাকার জন্য এ ঘরগুলো বানানো হয়।

  • গ্রামের বাসিন্দাদের খাদ্যের যোগান আসে জুম থেকে। মূলত ফলানো হয় ধান। গাছের গুঁড়ি দিয়ে তৈরি হামানদিস্তায় সেই ধান ভানছে এক কিশোরী।

    গ্রামের বাসিন্দাদের খাদ্যের যোগান আসে জুম থেকে। মূলত ফলানো হয় ধান। গাছের গুঁড়ি দিয়ে তৈরি হামানদিস্তায় সেই ধান ভানছে এক কিশোরী।

  • জনেরাং ত্রিপুরা পাড়ার একটি বাড়ির মাচাং এর ওপর শুকানো হচ্ছে ধান ও লাউয়ের খোল। এই লাউয়ের খোলে করে পাহাড়ী ঝরনা থেকে খাবার পানি আনেন বাসিন্দারা।

    জনেরাং ত্রিপুরা পাড়ার একটি বাড়ির মাচাং এর ওপর শুকানো হচ্ছে ধান ও লাউয়ের খোল। এই লাউয়ের খোলে করে পাহাড়ী ঝরনা থেকে খাবার পানি আনেন বাসিন্দারা।

  • জনেরাং ত্রিপুরা পাড়ার জর্মটি ত্রিপুরা সবার দিদিমা। গ্রামের বাসিন্দাদের ভাষ্য, তার বয়স হয়েছে একশ বছরের বেশি।

    জনেরাং ত্রিপুরা পাড়ার জর্মটি ত্রিপুরা সবার দিদিমা। গ্রামের বাসিন্দাদের ভাষ্য, তার বয়স হয়েছে একশ বছরের বেশি।

  • জনেরাং ত্রিপুরা পাড়ার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া চেমা খালের উৎপত্তি কেউক্রাডং এর পাদদেশ থেকে। থানচির বলিবাজারের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সাঙ্গু নদীর মোহনায় এসে মিশেছে এই খাল।

    জনেরাং ত্রিপুরা পাড়ার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া চেমা খালের উৎপত্তি কেউক্রাডং এর পাদদেশ থেকে। থানচির বলিবাজারের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সাঙ্গু নদীর মোহনায় এসে মিশেছে এই খাল।

  • চেমা খালের রূপ খোলে বর্ষায়, শীতে থাকে অনেকটাই শীর্ণ। সেই খালে মাছ ধরায় ব্যস্ত এক ত্রিপুরা যুবক।

    চেমা খালের রূপ খোলে বর্ষায়, শীতে থাকে অনেকটাই শীর্ণ। সেই খালে মাছ ধরায় ব্যস্ত এক ত্রিপুরা যুবক।

  • পাহাড়ি এই খালে পাওয়া যায় নানা রকম মাছ।

    পাহাড়ি এই খালে পাওয়া যায় নানা রকম মাছ।

  • জনেরাং ত্রিপুরা পাড়ায় যাওয়ার পথে দেখা মিলবে ম্রো সম্প্রদায়ের ছবির মত গ্রাম মেনরন পাড়া।

    জনেরাং ত্রিপুরা পাড়ায় যাওয়ার পথে দেখা মিলবে ম্রো সম্প্রদায়ের ছবির মত গ্রাম মেনরন পাড়া।

Print Friendly and PDF