মসুর ডালে মচমচে পটল ভাজা
ভোজনে ভিন্ন স্বাদের ছোঁয়া আনতে ঝটপট তৈরি করে নিতে পারেন মসুর ডালে পটল ভাজা।
দুপুরের খাবারে ডাল ও ভাজা পদের মেলবন্ধন বাঙালি খাদ্যাভ্যাসে বেশ পুরানো। তবে সাধারণ পটল ভাজায় একটু ভিন্নতা ও মচমচেভাব আনতে মসুর ডালের ব্যবহার স্বাদকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
রন্ধনশিল্পী মিতা খানমের এই রেসিপি অনুসরণ করে খুব সহজেই ঘরে তৈরি করা সম্ভব সুস্বাদু ও মুখরোচক মসুর ডালে পটল ভাজা।
উপকরণ
পটল: ৪-৫টি (খোসা ছাড়িয়ে লম্বা টুকরা করে কাটা)
মসুর ডাল: ২-৩ টেবিল-চামচ (আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখা)
হলুদ গুঁড়া: আধা চা-চামচ
লবণ: স্বাদ অনুযায়ী
শুকনা মরিচ বা কাঁচা মরিচ: ২-৩টি
পেঁয়াজ কুচি: ১টি
সরিষারতেল: ভাজার জন্য পরিমাণ মতো
পদ্ধতি
ডাল ও পটল প্রস্তুতি: প্রথমে মসুর ডাল আধা ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর পানি ঝরিয়ে সামান্য কাঁচা বা শুকনা মরিচ, পেঁয়াজ কুচি ও হলুদ গুঁড়া দিয়ে ডাল মিহি করে বেটে বা পেস্ট করে নিতে হবে। পটলগুলো ভালো করে ধুয়ে লম্বা টুকরা করে কেটে নিতে হবে।
মসলা মাখানো: কাটা পটলের টুকরাগুলোর মধ্যে সামান্য লবণ ও হলুদ-গুঁড়া ভালোভাবে মাখিয়ে ৫ মিনিটের জন্য রেখে দিতে হবে। এতে পটলের ভেতরের বাড়তি পানি বের হয়ে যাবে এবং মসলা ভালোভাবে ঢুকবে।
ডালের প্রলেপ: লবণ-হলুদ মাখানো পটলের ওপর ডাল বাটার মিশ্রণটি হালকা করে প্রলেপ দিয়ে মাখিয়ে নিতে হবে। (বিকল্প হিসেবে পটল কুচিয়ে নিয়ে ডাল বাটার সঙ্গে মেখে চ্যাপ্টা বড়ার মতো আকারও দেওয়া যেতে পারে)।
ভাজা ও মচমচে করা: কড়াইতে পর্যাপ্ত পরিমাণ সরিষার তেল গরম করে, ডাল মাখানো পটলের টুকরোগুলো তেলের মধ্যে ছেড়ে দিতে হবে। মাঝারি আঁচে উল্টেপাল্টে লালচে ও মচমচে করে ভেজে তেল ঝরিয়ে তুলে নিতে হবে।
পরিবেশন: একটি পাত্রে সাজিয়ে ভাতের সঙ্গে গরম-গরম পরিবেশন করুন সুস্বাদু মসুর ডালে পটল ভাজা।
