বইমেলায় ধরা পড়ল ‘বাঘের বোকামি’!
কী এমন ভুল করল বাঘ? বইমেলায় জানা যাবে ‘বাঘের বোকামি’ উপন্যাসে।
খরগোশের বিয়ে। অথচ বিয়েতে দাওয়াত দেওয়া হলো না বাঘ মামাকে। কেন দাওয়াত দেওয়া হলো না?
আসলে বাঘ মামাটা বেশ বয়স্ক। বয়সের ভারে অনেকটা নুয়ে পড়েছে, তাই সে যাকে-তাকেই শিকার করতে চায়। বয়স্করা চাইলেই তো আর সবকিছু পারে না। এভাবে কিছুদিন চলার পর সে ভীষণ ক্ষুধার্ত হয়ে পড়ে। ক্ষুধার্ত হওয়ার পরই বাড়তে থাকে বাঘটার পাগলামি!
পাগলামিতে ক্ষতি হয়ে যায় বনের রাজা সিংহের প্রচলিত আইন, মুক্তমনে ঘুরতে পারে না হরিণ, খরগোশরা। আর এরা ঘুরতে না পারলে বাঘেরা খাবে কী?
বয়স্ক বাঘকেও খাবারের লোভ দেখিয়ে বারবার বিপদে ফেলা হয়। বাঘ তবু নাছোড়বান্দা। আসলে ক্ষুধার্তরা একসময় এমনই হয়ে যায়, যাকে সামনে পায়, তাকেই খাবার ভাবে। নিরুপায় বাঘ একটা সময় কাছে পেয়ে যায় মায়াবী হরিণ, ছাগল ও ভেড়া। বাঘ কি এদের খেতে পারে? কিংবা ধীরগতির কচ্ছপকে। কচ্ছপকে কোনোভাবেই ছাড়বে না।
ঠিক তখন বিচারকের ভূমিকায় হাজির হয় চতুর শিয়াল। বাঘ ও শিয়ালের সামনে কচ্ছপের পরিণতি কী হতে পারে? এমন কাহিনি নিয়েই রচিত ‘বাঘের বোকামি’ উপন্যাসটি, লিখেছেন কবি জব্বার আল নাঈম। এটিই তার শিশুসাহিত্যের প্রথম বই।
এবারের অমর একুশে বইমেলায় এটি প্রকাশ করেছে ‘ছোটদের সময় প্রকাশনী’। প্রচ্ছদ করেছেন রজত।
কবি জব্বার আল নাঈম বলেন, “শিশুদের জন্য লেখা সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং। তাদের মনস্তত্ত্ব বুঝে, ভাষার সরলতা বজায় রেখে গল্প বলা কঠিন হলেও আমি চেষ্টা করেছি।”
তিনি আরও জানান, এর আগে তার কয়েকটি শিশুতোষ গল্প বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ‘কিডজ’ বিভাগে প্রকাশিত হয়েছে। সেখান থেকেই বোকা বাঘের চরিত্রটি বড় ক্যানভাসে আনার অনুপ্রেরণা পান তিনি।
২০০ টাকা মুদ্রিত মূল্যের ‘বাঘের বোকামি’ পাওয়া যাবে মেলায় ছোটদের সময় প্রকাশনীতে, স্টল নম্বর ৮৮৯ (শিশু কর্নার)।
