২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

ডেঙ্গু চিকিৎসায় প্রস্তুত ঢাকায় ৩ হাসপাতাল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

“মশা মারতে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার প্রতিনিধিদেরকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে,” বলেন তিনি।

ডেঙ্গু চিকিৎসায় প্রস্তুত ঢাকায় ৩ হাসপাতাল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ফাইল ছবি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 20 Oct 2022, 11:03 PM

Updated : 20 Oct 2022, 11:03 PM

ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় রাজধানীর তিনটি হাসপাতাল প্রস্তুত রাখার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

এ তিন হাসপাতাল হল- মহাখালীর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন হাসপাতাল, বিএসএমএমইউর নতুন হাসপাতাল ইউনিট ও মিরপুরের লালকুঠি হাসপাতাল।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে আবুল হোসেন রেসপিরেটরি ও নিউমোনিয়া রিসার্চ সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

গত কয়েকদিন ধরে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার মধ্যে গত বুধবার সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় একদিনে ৯০০ রোগী ভর্তি হন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে; এই সময়ে আরও তিন জনের প্রাণ কেড়েছে এইডিস মশাবাহিত এ রোগ।

চলতি বছর এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর এটাই সর্বোচ্চ সংখ্যা। এর আগে সোমবার ৮৫৭ জন এবং রোববার ৮৫৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হন।

এ বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৬ হাজার ৯৩৮ জন। তাদের মধ্যে ৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ডেঙ্গু আক্রান্ত বেড়ে গেলেও রোগীদের চিকিৎসা দিতে প্রস্তুত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

ডেঙ্গুবাহী এইডিস মশা মারতে সিটি করপোরশন ও পৌরসভার দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, “স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা দিতে পারবে, কিন্তু এইডিস মশা মারতে পারবে না। স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে এইডিস মশা নিধনে নিজেদের বাসা বাড়িতে পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধি, মশার কামড় থেকে বাঁচতে পরামর্শমূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

“কিন্তু মশা মারার কাজ তো স্বাস্থ্যের নয়। মশা মারতে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার প্রতিনিধিদেরকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। মশা কমলে ডেঙ্গু রোগী কমে যাবে, হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চাপও কমে যাবে।”

ইনস্টিটিউটের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. সাইফুল হাসান বাদল, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম, বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তাফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ কে এম আমিরুল মোর্শেদ, রিসোর্স সেন্টার নির্মাণের অর্থদাতা আবুল হোসেন, অর্থদাতা অধ্যাপক রুহুল আমীন, ঢাকা শিশু হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম।