Published : 11 May 2026, 10:12 PM
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত বলেছেন, এমন কোনো নীতিমালা কেউ চায় না যাতে যখন খুশি ওষুধের দাম বাড়িয়ে ফেলা হয়।
তিনি বলেন, “ওষুধ কোম্পানিগুলোর অবশ্যই মুনাফার প্রয়োজন আছে। অন্য সব কিছুর দাম বাড়লেও ওষুধের দাম বছরের পর বছর আটকে রাখা যেমন সঠিক নয়, তেমনি আমরা এমন কোনো নীতিমালাও চাই না, যার ফলে যখন খুশি ওষুধের দাম বাড়িয়ে ফেলা হয়।
“আমাদের মূল লক্ষ্য হল, এমন একটি ভারসাম্য বজায় রাখা যাতে জনগণ এবং সরকার কোনোভাবেই বিপদে না পড়ে।”
সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক এক পরামর্শক সভায় তিনি বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রেক্ষাপট তুলে বলেন, “মাত্র দুই-আড়াই মাস হলো সরকার গঠন করেছি। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার পর দেখেছি স্বাস্থ্য খাতের সব জায়গায় ভগ্নদশা বিরাজ করছে।”
দেশের হাসপাতালগুলোর ‘বেহাল চিত্র’ তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বিগত ৫-৭ বছর ধরে অনেক হাসপাতালে ন্যূনতম রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি। কোথাও ভবন আছেতো যন্ত্রপাতি নেই, কোথাও আবার ওষুধের সংকট। এই বিশাল চ্যালেঞ্জের মধ্যেই কাজ করতে হচ্ছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বৈশ্বিক প্রতিকূল পরিস্থিতি, যা আমাদের জন্য ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
জনগণের কাছে সরকারের দায়বদ্ধতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “আমরা চাই মানুষের ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনরক্ষাকারী ওষুধ নিশ্চিত করতে। আপনাদের সমস্যাগুলো বুঝি এবং সেগুলো দ্রুত ফয়সালা করতে চাই। যদি সম্মিলিতভাবে সমাধান না করি, তবে ইন্ডাস্ট্রি ও দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এবং বিশ্ব ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত পরামর্শক সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাইফুল এটিএম ইসলামসহ ওষুধ শিল্প, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।