২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
“আমাদের এই বিশাল মাঠ পর্যায়ের কর্মীবাহিনীকে স্তন ক্যান্সার ও ফিস্টুলা স্ক্রিনিংয়ের বিষয়ে সঠিক প্রশিক্ষণ দেওয়া জরুরি।”
প্রতিটি প্রতিবন্ধী নাগরিকের জন্য আলাদা ফাইল খোলা হবে এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন নিশ্চিত করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এম এ মুহিত।
“আমি খুশি হতাম, বিরোধী দল যদি স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট নিয়ে কথা বলত।”
প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের সব কর্মসূচিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিতে সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে, বলেন তিনি।
এম এ মুহিত বলছেন, সরকার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এমনভাবে সাজাতে চায়, যাতে ৮০ শতাংশ রোগী তাদের সেবাগুলো নিজ নিজ জায়গাতেই পেয়ে যায়।
২০০১ সালে খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় তিনি স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
বিগত ৫-৭ বছর ধরে অনেক হাসপাতালে ন্যূনতম রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ার কথা বলেন তিনি।
“আমাদের সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরই ১৫ দিনের মধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। আমরা সঙ্গে সঙ্গে এটির চিকিৎসা ও প্রতিরোধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করি।”