মেয়ের বাগদানে আমিরের ‘নস্টালজিক’ নাচ

এই অনুষ্ঠানে আমিরের প্রাক্তন দুই স্ত্রীকেও একসঙ্গে দেখা গেল।

গ্লিটজ ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 19 Nov 2022, 12:03 PM
Updated : 19 Nov 2022, 12:03 PM

হলঘরে বেজে উঠলো ‘পাপা কেহতে হ্যায় বড়া নাম করেগা’; নিজের প্রথম সিনেমার গানে নাচছেন বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ আমির খান। তবে ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তক’ সিনেমাটি নিয়ে বা অন্য কোনো অনুষ্ঠানে নয়, সবাইকে ‘নস্টালজিক’ করার এই নাচ আমির নাচলেন মেয়ে ইরা খানের বাগদানের অনুষ্ঠানে।

পিংকভিলা জানিয়েছে, শুক্রবার মুম্বাইয়ে ইরা খান ও নুপুর শিখরের বাগদানের পারিবারিক অনুষ্ঠানে অভিনেতা সাদা পাঞ্জাবি পরে বারান্দায় দাঁড়িয়ে নেচে উৎসব মাতিয়েছেন আমির। ওই নাচে নিজের চাচাত ভাই, ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তক’ সিনেমার পরিচালক মনসুর খানকেও টেনে আনেন আমির।

অনুষ্ঠানে এসেছিলেন আমিরের মা জিনাত হুসেইন। এছাড়া এই তারকার প্রাক্তন দুই স্ত্রী রিনা দত্ত ও কিরণ রাওকে আনন্দ করতে দেখা গেছে আনুষ্ঠানে।

এছাড়া নবদম্পতি ইরা খান এবং নূপুর শিখরকেও নাচে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা গেছে। 

বাগদানে আমির ও রীনা দত্ত কন্যা ইরাকে দেখা যায় একটি লাল গাউনে। আর আমিরের ফিটনেস ট্রেইনার নূপুর পরেছিলেন কালো স্যুট। বাবার ফিটনেস কোচ নূপুরের সঙ্গে দীর্ঘদিন প্রেমের পর কিছু দিন আগেই আংটিবদল সারেন তারা।পরে ছোট পরিসরে সারেন বাগদান। শুক্রবার হয় সেই বাগদান উপলক্ষে আনুষ্ঠানিকতা।

গেল সপ্তাহেই আমির জানিয়েছিলেন নিজের কিছু উপলব্ধির কথা। সেই উপলব্ধি বলেন, জীবনের যে পর্যায়কে অতিক্রম করছেন আমির, এখন তাতে তার সম্পর্কের প্রতি আরও যত্নশীল হওয়ার কথা মনে হয়েছে।

“ক্যারিয়ারের পুরোটা সময় কাজে খুব ডুবে ছিলাম আমি। এখন মনে হচ্ছে, পরিবারের সাথে ঠিক কাজটি করিনি। আগামী দেড় বছর পরিবারকে একটু সময় দিতে চাই। জীবনকে নানাভাবে উপভোগ করতে চাই।”

সিনেমায় আসার দুই বছর আগেই বাল্য প্রেমিকা রীনাকে বিয়ে করেছিলেন আমির; তাদের সেই সংসার ভেঙে যায় ২০০২ সালে। দুই সন্তান জুনাইদ ও ইরা তাদের মায়ের কাছেই বড় হন।

পরে আমির বিয়ে করেন কিরণ রাওকে, ২০০৫ সালে। গত বছরই তাদের দাম্পত্য বিচ্ছেদে গড়ায়। তবে একমাত্র সন্তান আজাদকে দুজন একসাথে বড় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আমির বলেন, আজকাল তার মনে হচ্ছে পরিবার, মা ও বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটানো প্রয়োজন।

লাল সিং চাড্ডার পরে ‘চ্যাম্পিয়নস’ সিনেমা নিয়ে কাজ শুরু করার কথা ছিল আমিরের। এখন পরিকল্পনাটিও বদলেছেন তিনি।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক