বাবার অর্থকষ্ট দেখতে হয়েছিল আমির খানকেও

আর্থিক সঙ্কটের সময় আমির খানের স্কুলের বেতন পরিশোধেও দেরি হত।

গ্লিটজ ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 4 Dec 2022, 05:10 PM
Updated : 4 Dec 2022, 05:10 PM

আমির খানের পরিবারকে বনেদি পরিবারই বলা হয়, তাদের অনেকেই ছিলেন চলচ্চিত্র বাণিজ্যে, তারপরও শৈশবে অর্থকষ্ট দেখতে হয়েছিল আমির খানকে।

সম্প্রতি ‘হিউম্যানস অফ বোম্বে’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ১০ বছর বয়সে দেখা সেই অর্থকষ্টের কথা স্মরণ করে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন এই বলিউড তারকা।

আমির খানের বাবা প্রয়াত তাহির হুসেন ছিলেন একজন চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিচালক, চিত্রনাট্যকার। ভারতের কংগ্রেস নেতা মৌলানা আবুল কালাম আজাদ সম্পর্কে আমিরের দাদা হন। ভারতের রাজনীতিক নাজমা হেফতুল্লাহ চাচাত বোন হন আমিরের।

আমির খান জানান, তার বাবা একটি সিনেমা বানাতে গিয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। ঋণ সময়মতো ফেরত দিতে না পারায় প্রায়ই অর্থের জন্য ঋণদাতারা ফোন দিয়ে বসতেন।

“বাবাকে সেসময় দেখে খুব কষ্ট হত। হয়ত বুঝতে পারেননি যে এত ঋণ নেওয়া উচিৎ হয়নি তার। ব্ল্যাকে টিকিট বিক্রি হওয়ার কারণে প্রযোজকরাও সেসময় তাদের বকেয়া পেতেন না ঠিকভাবে। বাবা কয়েকটি সিনেমা বানালেও তার কাছে কখনোই টাকা থাকত না।”

সেই আর্থিক সঙ্কটের সময় আমির খানের স্কুলের বেতন পরিশোধেও দেরি হত। আর আমির খানের মা তাদের জন্য বরাবরই লম্বা প্যান্ট কিনতেন, যাতে বেশি সময় ধরে তা ব্যবহার করা যায়।

আমিরের অভিনয় জীবন শুরু গত শতকের ৮০ এর দশকে ‘কেয়ামত সে কেয়ামত’ দিয়ে। তখন ‘চকলেট হিরো’ তকমা্ সঙ্গী হয়েছিল নামের সঙ্গে। তারপর নিজেকে ভেঙেছেন-গড়েছেন; বলিউডে বহুমাত্রিক এক অভিনেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

আমিরকে শেষ দেখা গিয়েছিল লাল সিং চাড্ডা-তে। তবে তা বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। অবশ্য নেটফ্লিক্সে মুক্তি তা পর বেশ জনপ্রিয়তা পায়।। 

আমিরকে কাজলের আসন্ন সিনেমা ‘সালাম ভেঙ্কি’তে একটি ছোট চরিত্রে দেখা যাবে।

তিন দশক পেরিয়ে আসার পর এখন অভিনয়ে বিরতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমির।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক