জীবনসঙ্গীর কাছে কী চান মিমি
মিমির বিয়ের শপিং থেকে নিমন্ত্রণপত্র বিলি পর্বও নাকি চলছে জোরকদমে, কারণ হাতে বেশি সময় নেই।
কলকাতার অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী চাইছেন তার জীবনসঙ্গী যেন তার মত ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করে। আর মজা করতে ভালোবাসে।
আগামী ডিসেম্বরে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন অভিনেত্রী। বিয়ের আসর বসতে পারে পাহাড়ের শহর কালিম্পঙে। অভিনেত্রীর বিয়ের খুঁটিনাটি খবর এবং হবু স্বামীর পরিচয় জানতে তার অনুরাগীরা কৌতহলী।
কেমন পাত্র তার জীবনের সঙ্গী হতে চলেছেন জানতে চাইলে আনন্দবাজারকে মিমি বলেন, “ও আমার খুব ভালো বন্ধু হবে। আমি চাই খুব ফান লাভিং হবে। আর আমি যেমন ঘুরতে ভালবাসি তেমন ভালবাসবে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, আমার পোষ্যদের খুব ভালবাসবে।’’
বিয়ের তারিখ কবে জানতে চাইলে রসিকতা করে মিমি বলেন, “যখন বিয়ে হবে তখন বিয়ে নিয়ে ভাবব।”
আনন্দবাজারের খবর বলছে, তার হবু স্বামী বিনোদন জগতের কেউ নন; তিনি ভারতীয় নৌবাহিনীর একজন কর্মকর্তা। বিয়ের শপিং থেকে নিমন্ত্রণপত্র বিলি পর্বও নাকি চলছে জোরকদমে, কারণ হাতে বেশি সময় নেই।
মিমির প্রেমজীবন নিয়ে অবশ্য এর আগে কম আলোচনা হয়নি। সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা গুঞ্জন শোনা গেলেও মিমি নিজে সেগুলোকে কখনো বিশেষ গুরুত্ব দেননি।
কয়েক বছর আগে বিয়ে নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে মিমি জানিয়েছিলেন, বিয়ে করতে হলে আগে তো পাত্র খুঁজতে হবে, তার জন্য দেখাসাক্ষাৎও করতে হবে—সেটুকু করার সময়ও নাকি তার হাতে নেই।
বিয়ের আগে নাকি নভেম্বরেই হবে আংটিবদল। আপাতত নায়িকা এ বিষয়ে কোনো তথ্য ফাঁস করতে নারাজ।
২০১০ ‘গানের ওপারে’ ধারাবাহিকে ‘পুপে’ চরিত্রটি করার পর মিমি রাতারাতি জনপ্রিয়তা পান।
পরে ২০১২ ‘বাপি বাড়ি যা’ ছবির মাধ্যমে রুপালি পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন। এরপর ‘বোঝে না সে বোঝে না’, তারপর থেকে একের পর একে বাণিজ্যিক ধারার সিনেমা করে যাচ্ছেন মিমি।
দুর্গাপূজায় আসছে মিমির সিনেমা ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’; পরিচালনা করেছেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়।
সিনেমায় আবীর চট্টোপাধ্যায়ের বিপরীতে সুমিত্রার চরিত্রে দেখা যাবে তাকে।
