গুঞ্জন সত্যি, বিচ্ছেদের ঘোষণা এশা দেওলের
এক বিবৃতিতে ১২ বছরের সংসারের ইতি টানার কথা জানিয়ে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন এশা দেওল ও ভরত তখতানি।
বলিউডের তারকা দম্পতি হেমা মালিনী ও ধর্মেন্দ্রর কন্যা এশা দেওলের সংসারে ভাঙনের সুর শোনা যাচ্ছিল বেশ ক’দিন ধরেই। অবশেষে সব জল্পনা-কানাঘুষা সত্যি হয়েছে।
এক বিবৃতিতে ১২ বছরের সংসারে ইতি টানার কথা জানিয়ে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন এশা দেওল ও ভরত তখতানি।
দিল্লি টাইমসে পাঠানো এশার ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে আমরা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জীবনের এই পরিবর্তনে আমাদের দুই সন্তান আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”
ওই বিবৃতিতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখার ব্যাপারে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন বলিউডের এই অভিনেত্রী।
২০০২ সালে রোমান্টিক থ্রিলার সিনেমা 'কোই মেরে দিল সে পুছে' দিয়ে হিন্দি সিনেমায় অভিষেক হয় এশার। পরে 'ধুম', 'যুবা' সহ বেশকিছু সিনেমায় দেখা গেছে তাকে।
২০১২ সালের জুন মাসে ব্যবসায়ী ভরত তখতানির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন এশা। রাধ্য ও মারিয়া নামের তাদের দুই কন্যাসন্তান আছে।
কি কারণে আলাদা হওয়ার এই সিদ্ধান্ত, এশা সে বিষয়ে কিছু না জানালেও ফিল্মিপাড়ার গুঞ্জন হল, ভরত বেঙ্গালুরুর এক মেয়ের সঙ্গে নাকি প্রেম করছেন। ভরতের এই বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা জানতে পেরে এশা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
সংসার থেকে আলাদা হওয়ার কথা সাবেক এই দম্পতির কেউই আগে প্রকাশ না করলেও এশার লেখা 'আম্মা মিয়া: স্টোরিজ’ বইয়ে খানিকটা আভাস ছিল।
সেই আত্মকথনে এশা বলেছেন, দ্বিতীয় মেয়ে হওয়ার পর থেকে ভরতের প্রতি এক ধরনের অবহেলা তিনি করেছেন, যা তার স্বামীকে হতাশ করে তুলছে। ভরতেরও মনে হয়েছে, তার প্রতি এশার খেয়াল কম।
এশা লিখেছেন, ভরতের এমন মনে হওয়াকে অমূলক বলা যায় না। কারণ ওই সময়ে ছোট মেয়ের যত্ন এবং বড় মেয়ের স্কুল নিয়ে ব্যস্ততায় তার দিন ফুরিয়ে যেত। সেইসঙ্গে বই লেখার কাজও চলছিল। সময় দিতে হত নিজের প্রযোজনা সংস্থার কাজেও। তাই ভরতের প্রতি যতটুকু নজর দেওয়া সম্ভব তা তিনি দিতে পারেননি।
