জঁ-লুক গদার: সিনেমাকে বদলে দেওয়ার নায়ক

চলচ্চিত্রকে নতুন ভাষা দিয়েছেন জঁ-লুক গোদার।

গ্লিটজ ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 13 Sept 2022, 06:23 PM
Updated : 13 Sept 2022, 06:23 PM

বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম প্রভাবশালী পরিচালক জঁ-লুক গদার ৯১ বছর বয়সে মারা গেছেন। এই ফরাসি-সুইস চলচ্চিত্র নির্মাতা ফরাসি নবকল্লোল চলচ্চিত্র আন্দোলনের পুরোধাদের একজন, সিনেমাতে তিনি দিয়েছেন নতুন ভাষা। এই নির্মাতা চলচ্চিত্র সমালোচক হিসেবেও সমান খ্যাতিমান, আবার বিতর্ক ছাপিয়ে প্রভাবশালীও।

ক্যারিয়ারে ডজনখানেক সিনেমা নির্মাণ করলেও জীবদ্দশায় অর্ধশতাব্দীর বেশি সময় বিশ্ব চলচ্চিত্রকে প্রভাবিত করে গেছেন গড়ার। তাকে নিয়ে নয়টি বিষয় তুলে ধরেছে বিবিসি, যাতে বোঝা যাবে প্রবাদপ্রতীম এই চলচ্চিত্রকারকে।

  • একটি মেয়ে ও একটি অস্ত্র দিয়ে সিনেমাকে বদলে দেন তিনি

গদার একবার লিখেছিলেন, একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে আপনার দরকার শুধু একটি ‘নারী ও অস্ত্র’। ১৯৬০ সালে নিজের প্রথম সিনেমা ‘ব্রেথলেস’ নির্মাণের মধ্যদিয়ে তিনি তা প্রমাণও করেন।

সিনেমায় দেখা যায় পাত্রিসিয়া নামের মেয়েটি একজন পাতি সন্ত্রাসী মিশেলের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। একজন পুলিশ সদস্যকে গুলি করে মিশেল তখন ফেরারি। পাত্রিসিয়া মিশেলের সঙ্গে বেইমানি করে এবং পুলিশ মিশেলকে রাস্তায় গুলি করে মারে।

কাহিনীর বিচারে ব্রেথলেস হয়ত একটি ‘ক্রাইম ড্রামা’ (অপরাধ নাট্য), কিন্তু নিজের অনেক প্লটের মতোই ব্রেথলেসও গদারের জন্য সংস্কৃতি, দৃশ্য নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও আদতে সিনেমাকে খুঁড়ে দেখার একটি ফ্রেম মাত্র।

ব্রেথলেস মুক্তি পাওয়ার পরপরই দারুণ সাড়া ফেলে, চলচ্চিত্র বোদ্ধাদের মন জয়ের পাশাপাশি স্বল্প বাজেটে নির্মিত এই সিনেমা দারুণ ব্যবসা সফলও হয়।

নির্মাণের প্রায় ছয় দশক পরেও এই সিনেমার দ্যুতি দর্শকদের মোহিত করে চলেছে। বিশ্ব চলচ্চিত্রের সংগ্রহে এটা একটি ধ্রুপদী সিনেমার স্বীকৃতিও অর্জন করেছে।

Also Read: কিংবদন্তি ফরাসী চলচ্চিত্রকার জঁ লুক গদারের মৃত্যু

  • প্রচলিত ধারাকে দিলেন ‘কাট’ করে

চলচ্চিত্র সম্পাদনায় ‘জাম্প কাট’ এর প্রবর্তকের স্বীকৃতি জঁ-লুক গদারের। ব্রেথলেস সিনেমার অন্যতম যুগান্তকারী উপাদান হচ্ছে এর অনন্য সম্পাদনার কৌশল। এই সিনেমার মাধ্যমে সফলভাবে জাম্প কাটকে চলচ্চিত্রে প্রয়োগ করে দেখিয়েছেন গদার।

গদারের আগে এবং পরেও চলচ্চিত্র সম্পাদনায় দর্শককে সময়ের ধারাবাহিকতার একটি বোধ দেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যা প্রচলিত ধারণা হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত।

এর বিপরীতে, ব্রেথলেস সিনেমায় গদার শট চলার মধ্যেই ‘কাট’ (দৃশ্য কেটেছেন) দিয়েছেন, যার ফলে দর্শকের কাছে সময় যেন লাফিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল।

এটা দর্শকের মনে শিহরন জাগায়, নিশ্চিতভাবেই গদারের উদ্দেশ্যও সেটাই ছিল। নিদেন পক্ষে দর্শকের মনোযোগ ধরতে পারার চেষ্টায় তিনি দারুণ সফল। আবার একই সঙ্গে একে ব্যাখ্যা করা যায় পর্দায় মিশেলের একঘেয়েমির একটি প্রতিফলন হিসেবেও, অথবা দর্শক-শ্রোতাকে সিনেমার ধরন সম্পর্কে সচেতন হতে বাধ্য করার একটি গদারীয় পদক্ষেপ হিসেবেও একে দেখা যেতে পারে।

ক্যারিয়ারজুড়েই সিনেমা নির্মাণের ব্যকরণ নিয়ে খেলে গেছেন গদার।

  • চিত্রনাট্য যখন-তখন

নতুনত্বের আরও চমক দেখিয়েছেন গদার। ব্রেথলেস সিনেমার দৃশ্য ধারণ হয়েছে ‘শুটিং লোকেশনে’ই, ক্যামেরা ছিল হাতে, আর চিত্রনাট্য তিনি লিখতেন দৃশ্য ধারণ করার দিনেই, এমনকি দৃশ্য ধারণ করতে করতেই অভিনয়শিল্পীদের সংলাপ দিতেন।

প্রচলিত ধারার সিনেমা নির্মাণে তিনি ব্যতিক্রম সৃষ্টি করেন। এখনও প্রচলিত ধারার, স্টুডিও-নির্ভর, চলচ্চিত্র নির্মাণ বলতে বোঝায় একটি নির্দিষ্ট চিত্রনাট্য চূড়ান্ত করে, বড় সংখ্যার কর্মী নিয়ে স্টোরিবোর্ডের মাধ্যমে দৃশ্য ধারণ। অথচ ব্রেথলেস নির্মাণ করে সেই ধারাকে পুরোপুরি ভেঙেছেন তিনি। এই সিনেমা নির্মাণে গদার যে কৌশল ব্যবহার করেছেন, তা সিনেমাটিকে দারুণ সপ্রতিভ করেছে এবং একটি ডকুমেন্টারি বা তথ্যচিত্রের ভাব দিয়েছে।

নিজের অনেক সিনেমায় এই কৌশল ব্যবহার করেছেন গদার। তার শিল্পীরা সেটে উপস্থিত হওয়ার আগপর্যন্ত ধারণাই পেতেন না যে কী ধরনের সংলাপ তারা আওড়াতে চলেছেন।

গদার ও ফরাসি নবকল্লোল ধারার তার সমসাময়িক চলচ্চিত্র নির্মাতারা সিনেমাকে দেখেন পরিচালকের নিয়ন্ত্রণে থাকা একটি শিল্প মাধ্যম হিসেবে। অথচ হলিউডনির্ভর সিনেমা জগতে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলোই মূলত একটি সিনেমার নির্মাণকে নিয়ন্ত্রণ করে।

  • বিশাল এক ‘সিনেফাইল’

গদার হয়ত একজন ‘আইকোনোলাস্ট’, যিনি প্রচলিত ধারাকে ভেঙেচুরে নতুন কিছু করে দেখাতে চেয়েছেন, কিন্তু এর পেছনে ছিল সিনেমার প্রতি তার গভীর ভালোবাসা।

 চলচ্চিত্র নির্মাতা হয়ে ওঠার আগে, তিনি ছিলেন একজন অন্তঃপ্রাণ সিনেমা দর্শক, হলে গিয়ে একই সিনেমা বার বার দেখেছেন। তিনি এবং তার ফরাসি নতুন ধারার প্রবর্তক বন্ধুরা সিনেমা ক্লাবে একই দিনে একই সিনেমা একাধিকবার দেখেছেন।

তার প্রজন্মের অন্য অনেক নির্মাতার মতোই, গদারও শুরুতে ছিলেন একজন চলচ্চিত্র সমালোচক; এর মধ্যদিয়ে সিনেমা নির্মাণ কেমন হওয়া উচিৎ, সে বিষয়ে নিজের ধারণাকে তিনি গড়ে তুলেছেন।

তার সিনেমাগুলোয় অন্য নির্মাতাদের কাজের ছোঁয়া মিলবে হরহামেশা, এমনকি সিনেমা নির্মাণের সীমাকে ধাক্কা দেওয়ার প্রক্রিয়াতেও পেছনে ফিরে তাকাতে দ্বিধাবোধ করেননি কখনোই।

  • উদ্ভাবনে অনমনীয়

সিনেমার ইতিহাসে জায়গা করে নিতে একটি ‘ব্রেথলেস’-ই হয়ত যথেষ্ট, কিন্তু গদারের কর্মময় জীবন এরচেয়ে ঢের বিস্তৃত। আইএমডিবির তালিকায় একশরও বেশি কাজ রয়েছে গদারের, যার মধ্যে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, তথ্যচিত্র, টিভি সিরিজ ও ৪০টিরও বেশি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র রয়েছে।

ষাটের দশকেই তার অন্যতম সফল কাজগুলো বিস্তৃত পরিসরে প্রদর্শিত হয়েছে। এরমধ্যে অন্যতম ‘অ্যা উম্যান ইজ অ্যা উম্যান’ ১৯৬১ সালে মুক্তি পায়, যাকে তিনি অভিহিত করেছেন একটি ‘নিওরিয়ালিস্ট মিউজিক্যাল’ হিসেবে। ডিসটোপিয়ান সায়েন্স-ফিকশন ‘আলফাভিল’ মুক্তি পায় চার বছর পর ১৯৬৫ সালে। ১৯৬৭ সালে গদার উপহার দেন ব্ল্যাক কমেডি ‘উইকএন্ড’।

এরপর গদার নিজের রাজনৈতিক মতাদর্শ তুলে ধরেন সিনেমার মাধ্যমে। ১৯৭২ সালের ‘অল’স ওয়েল’ তার মার্কসপন্থি কাজের স্বাক্ষর। পরের দশকগুলোতে ‘হেইল মেরি’ বা ‘কিং লিয়ার’ অথবা চলচ্চিত্রের ইতিহাস নিয়ে সিনেমা নির্মাণ করে খ্যাতি ও বিতর্ক সৃষ্টি করে গেছেন। ২০১৪ সালে, যখন তিনি ৮০ বছর পার করেছেন, মুক্তি দেন নিরীক্ষাধর্মী থ্রিডি সিনেমা ‘গুডবাই টু ল্যাংগুয়েজ’। এই সিনেমায় তার কুকুর রক্সি ছিলো মূল ভূমিকায়।

  • দর্শক-শ্রোতাকেও ভাবতে হত

পালানোর সুযোগ নেই- গদারের সিনেমা দর্শকের জন্য কখনও চ্যালেঞ্জ, কখনও দুর্বোধ্য, আবার কখনও অর্থহীন। সিনেমা নির্মাণ করে বাণিজ্যিক সাফল্যও অর্জন করেছেন। তবে তার পরের দিককার কাজগুলো সমালোচকদের আদর পেলেও তা সীমিত পরিসরে প্রদর্শিত হয়েছে।

সিনেমার প্রতি প্রেম, আর সঙ্গে যোগ হয়েছে পাঠের দারুণ ক্ষুধা। গদার ছিলেন বইপোকা। রুপালি পর্দায় নির্দিষ্ট সময়সীমার ভেতরে রেফারেন্সের ছড়াছড়ির চূড়ান্ত করেছেন গদার। উদাহরণ দিতে গিয়ে ‘গুড বাই টু ল্যাংগুয়েজ’র প্রসঙ্গ টেনেছে বিবিসি। সেখানে চিত্রকর নিকোলাস দে স্তয়েল, আধুনিক সাহিত্যিক উইলিয়াম ফকনার আর গণিতবিদ লরাঁ শোয়ার্টসকে একসূতোয় গাঁথতে চেয়েছেন। জার্মান নাট্যকার বোরটল্ট ব্রেখটের দারুণ প্রভাব ছিল গদারের উপর।

Also Read: গদারের কীর্তিগাথা

ব্রেখট চাইতেন তার দর্শকেরা নাটক দেখার সময় সচেতনভাবে ভাবুক, আর সেজন্য তিনি বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করতেন, তাদের এটা বোঝাতে যে তারা যা দেখছেন তা কৃত্রিম।

গদারের বেশ কয়েকটি সিনেমায় ব্রেখটের বিভিন্ন পদ্ধতি ধার করা হয়েছে, যেমন ১৯৬৭ সালের ‘লা চায়নসি’, যেখানে তিনি ‘উত্তেজক’ ক্যাপশন ব্যবহার করেছেন, অভিনয় শিল্পীরা ‘ফোর্থ ওয়াল’ ভেঙেছেন, এমনকি দৃশ্যের শুরুতে ‘ক্ল্যাপার বোর্ড’ও রেখে দিয়েছেন।

  • নিজের শিল্পে আবদ্ধ

নিজের অনেক সিনেমাতেই পর্দায় মুখ্য চরিত্রের মধ্য দিয়ে উঁকি দিয়েছেন গদার।

১৯৬৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘লে মেপরিস’ সিনেমায় মুখ্য চরিত্র মিশেল পিচ্চলি রুপালি পর্দায় মূলত গদারকেই রূপায়ন করেছেন। সিনেমাটির কাহিনীতে গদারের সঙ্গে তার প্রথম স্ত্রী আন্না কারিনার সম্পর্ক উঠে এসেছে।

নিজের সিনেমাগুলোতে গদার প্রায়ই নিজের ব্যক্তি জীবনের গল্প বলেছেন। তবে পরের দিকের সিনেমাগুলোতে নিজেই হাজির হয়েছেন দর্শকের সামনে।

১৯৯৫ সালে আত্মজৈবনিক সিনেমা ‘জেএলজি/ জেএলজি - সেলফ-পোট্রেইট ইন ডিসেম্বর’ এবং ২০১৮ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য ইমেজ বুক’ সিনেমায় তিনি নিজের কণ্ঠ ব্যবহার করেছেন।

‘রুঢ়’ আচরণও উদাহরণ

জঁ-লুক গদার পেশাগত এবং ব্যক্তি জীবনে খুব একজন স্বস্তিদায়ক সঙ্গী ছিলেন না। আন্না কারিনা এবং আনে ভিয়াসেমস্কির সঙ্গে গদারের দাম্পত্য জীবন ছিল ঝঞ্ঝাময়, যার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে তার সিনেমাগুলোতেও।

১৯৬৮ সালে রোলিং স্টোনস ব্যান্ডের উপর তথ্যচিত্র ‘সিমপ্যাথি ফর দ্য ডেভিল’ নির্মাণের সময় প্রযোজকের শর্তে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি পর্দায় যেন সপাটে চড় কষিয়েছিলেন, এর লন্ডনে প্রদর্শনীতে।

বন্ধু, সহযাত্রী ফ্রাঁসোয়া ত্রুফোর সঙ্গে দারুণ বিবাদেও জড়িয়েছিলেন গদার। ১৯৭৩ সালে ত্রুফোর সিনেমার কঠোর সমালোচনা করে একটি লেখা লেখেন গদার। জবাবে ত্রুফোও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। দুই বন্ধুর সম্পর্ক এরপর আর সহজ হয়নি।

তবে গদারের ক্যারিয়ারে যৌথ সমন্বয়ের নজিরও কম নয়। তার শুরুর দিককার সিনেমায় কারিনা বা ভিয়াসেমস্কির অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই।

বামধারার চিন্তক জঁ-পিরে গোরিন ও চিত্রগ্রাহক রাউল কুতার্দের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিলো তার। গদার সম্পর্কে তাদের অভিব্যক্তি হচ্ছে - ‘তিনি একজন যা-তা হতে পারেন... কিন্তু তিনি একজন জিনিয়াস’।

১৯৭০ এর দশক থেকে তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী হয়েছিলেন তার জীবনসঙ্গী, সুইস চলচ্চিত্র নির্মাতা আনে-মারি মিভিলে।

  • অতুলনীয় অনুপ্রেরণারও নাম

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র শিল্প নিজের মতো তরে নতুন ধারার উত্থান দেখেছে। আমেরিকার নিউ ওয়েভ থেকে উঠে এসেছে ‘বনি অ্যান্ড ক্লাইড’, ‘চায়নাটাউন’ ও ‘জ’ এর মতো সিনেমা।

 গদারের কাজ - সেটা ব্যক্তি গদার-নির্ভর, অথবা নিরীক্ষাধর্মী, বা রাজনৈতিক, কিংবা সবই - দারুণ প্রভাব বিস্তার করে আছে। যুক্তরাষ্ট্রের চলচ্চিত্র নির্মাতা কুয়েটিন টারান্টিনো নিজের প্রযোজনা কোম্পানির নাম রেখেছেন ‘অ্যা ব্যান্ড অ্যাপার্ট’, যা গদারের ১৯৬৩ সালের সিনেমা ‘বান্ড আ পার্ট’ থেকে অনুপ্রাণিত।

ইতালির পরিচালক বের্নার্দো বের্তোলুচ্চি তার ‘দ্য ড্রিমারস’ সিনেমায় গদারকে সম্মান জানিয়েছেন।

ইরানি নির্মাতা আব্বাস কিয়ারোস্তামি অথবা ডেনমার্কের লারস ফন ত্রিয়েরের উপরেও গদারের প্রভাবের ছোঁয়া পাওয়া যায়। সাইট অ্যান্ড সাউন্ড-এর করা ইতিহাসের সেরা ৫০ সিনেমার তালিকায় জায়গা পেয়েছে গদারের ‘ব্রেথলেস’, ‘লে মেপরিস’, ‘পিরোঁ লে ফু’ ও ‘হিসটোরি(স) দু সিনেমা’।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক