“আমাদের বিবাহবার্ষিকীর সন্ধ্যাটা বিডিনিউজের এই আনন্দ মুহূর্তের সঙ্গে কাটছে, এটাও অন্যরকম ভালো লাগার।”
Published : 20 Nov 2024, 02:02 PM
অভিনয় শিল্পী রহমত আলী এবং ওয়াহিদা মল্লিক জলির দাম্পত্যজীবনের ৩৪ বছর পূর্ণ হল মঙ্গলবার, সেই আনন্দ তারা ভাগ করে নিলেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ১৮ বছর পূর্তির ঝলমলে আয়োজনে শামিল হয়ে।
রহমত ও জলি বিয়ের বাঁধনে জড়িয়েছিলেন ১৯৯০ সালের ১৯ নভেম্বর। অভিনয়ে তারা পেয়েছেন তারকাখ্যাতি, শিক্ষকতা করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরমেন্স বিভাগে।
রহমত আলী বলেন, “বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ১৮ বছরের পথ চলেছে, আর আমরা সংসারজীবনে একসঙ্গে আছি ৩৪ বছর। এই সন্ধ্যাটি আমাদের কাছে ভীষণ আনন্দের হল।”
দেশের প্রথম ইন্টারনেট সংবাদপত্র বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ অনুষ্ঠান ছিল ঢাকার হোটেল র্যাডিসন ব্লু ওয়ার্টার গার্ডেনের গ্র্যান্ড বলরুমে।
অনুষ্ঠানের ফাঁকে ওয়াহিদ মল্লিক জলি বলেন, “সংবাদে আস্থার জায়গাটা ধরে রাখতে পেরেছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। এটা অব্যহত থাকুক। আমাদের বিবাহবার্ষিকীর সন্ধ্যাটা বিডিনিউজের এই আনন্দ মুহূর্তের সঙ্গে কাটছে, এটাও অন্যরকম ভালো লাগার।”
‘সবার আগে সঠিক খবর’ দেওয়ার প্রত্যয়ে পথ চলছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। আঠারো উদযাপনের এ আয়োজনে সঙ্গী হয়েছেন রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে বিচারপতি, ব্যবসায়ী-শিল্পোদ্যোক্তা, চিকিৎসক, কবি-সাহিত্যিক-সাংবাদিক, সংস্কৃতিকর্মী-সংগঠক, ক্রীড়া তারকা, কূটনীতিক, ব্যাংকার ও সরকারি কর্মকর্তারা।
জলি বলেন, “আজকে বিবাহবার্ষিকীর দিনটা নিজেদের মত করে সময় কাটিয়েছি। সকালবেলা বের হয়েছি, ঘুরেছি, খাওয়া-দাওয়া করেছি। আমি ভাবলাম রাতে আর বের হব না। কিন্তু রহমত বলল, বিডিনিউজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, চলো না একবার ঘুরে আসি৷ প্রিয় মানুষদের সঙ্গে দেখা হবে। চলে এলাম।”
এই অভিনেত্রীর ভাষ্য, বিবাহিত জীবনের ৩৪ বছর কাটালেও মনের দিক থেকে এখনো সতেরতেই আছেন তিনি।
“এই খুশি থাকার জন্য বয়স লাগে না। আমরা কোথাও বের হতে গেলে মনে করি না আমাদের বয়স হয়েছে। কষ্ট হবে, শরীর খারাপ লাগবে এসব নেতিবাচক চিন্তা ভাবনায় আসে না। এই যে ৩৪ বছর সংসার জীবনে পার করে দিলাম, আমার কখনো ক্লান্ত লাগেনি। আমরা প্রতিটা মুহূর্ত, প্রতিটা দিনকে নতুন নতুন করে আবিষ্কার করি। নতুনভাবে গ্রহণ করি।”
রহমত আলী বলেন, “বিডিনিউজের এই প্রোগ্রামটাতে আসা নিয়ে আমি অনেক বেশি এক্সাইটেড ছিলাম। কারণ একই দিনে আমার বিবাহবার্ষিকী। আমাদের ৩৪ আর বিডিনিউজের ১৮। আমি সাধারণত ব্যক্তিগত কারণে বা অসুস্থতার কারণে কোনো লোক সমাগম জায়গায় যাই না৷ প্রায় দেড় বছর পর আমি এই সমাগমে এসেছি।”
এই অভিনেতা শিক্ষক জানান, একদম শুরু থেকেই তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের পাঠক।
“আমার অনেক ছাত্র আছে, বন্ধু আছে, যারা বিডিনিউজের সঙ্গে জড়িত। এজন্য বিডিনিউজ সবসময় পড়া হয়। তারা যে সত্যনিষ্ঠ সংবাদ দেয়, সেটা আমাদের অনুপ্রাণিত করে। বিডিনিউজ তাদের এই পথচলা আরও সুদীর্ঘ, সুন্দর করুক সেই শুভকামনা।”