Published : 18 Aug 2025, 11:34 PM
পদক প্রদান ও ‘নিমজ্জন’ নাটক মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে শেষ হল ‘সেলিম আল দীন ৭৬ জয়ন্তী নাট্যোৎসব‘।
সোমবার মহিলা সমিতির নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে উৎসবের সমাপনী সন্ধ্যায় ঢাকা থিয়েটার প্রবর্তিত তিনটি পদক প্রদান করা হয়।
এ বছর নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন পদক পেয়েছেন নাট্যকার আসাদুল্লাহ ফারাজী।
সৈয়দ বজলুল করিম ও মকসুদ-উস-সালেহীন পদক পেয়েছেন অভিনয়শিল্পী ও নাট্যনির্দেশক লাকী ইনাম এবং ফওজিয়া ইয়াসমীন শিবলী পদক পেয়েছেন মণিপুরি থিয়েটারের অভিনয়শিল্পী জ্যোতি সিনহা।
ঢাকা থিয়েটার ও বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার আয়োজিত জয়ন্তী উৎসবের শেষ দিনে তাদের হাতে পদক তুলে দেওয়া হয়।
পদক প্রদান ও নাটক প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে পর্দা নামে খ্যাতনামা ন্যাট্যকার সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ উৎসবের।
ঢাকা থিয়েটারের পরিচালক নাসির উদ্দীন ইউসুফ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ২০০৮ সাল থেকে এক বছর পরপর এ পদক দেওয়া হচ্ছে।

পদক প্রদান অনুষ্ঠানে চিত্রশিল্পী রফিকুন নবী বলেন, "আমি নাটকের মানুষ নই, তবে নাটকের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক আছে। যে ছবি আঁকেন, তাকে নাটক সম্পর্কে জানতে হয়। আবার যে নাটক করেন, তাকেও ছবি আঁকা সম্পর্কে জানতে হয়। সেই হিসেবে নাটকের সঙ্গে আমারও সম্পর্ক আছে। যদিও আমি অভিনয় করিনি। নাটকের পোস্টার ডিজাইন করেছি, সেই পোস্টার প্রশংসিত হয়েছে।"
পদক পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে নাট্যজন লাকী ইনাম বলেন, "আমি অত্যন্ত গর্বিত এই পদক পেয়ে। আমি যখন থিয়েটার শুরু করি তখন থেকেই বজলু ভাইয়ের নাম শুনে এসেছি। আজকে তার নামাঙ্কিত পদক পেয়ে আমি আনন্দিত। ঢাকা থিয়েটারের কাছে কৃতজ্ঞ।"
আসাদুল্লাহ ফারাজী বলেন, "আশির দশকে সেলিম আল দীন আর নাসির উদ্দীন ইউসুফের সঙ্গে পরিচয় না হলে হয়তো আমার থিয়েটার করা হতো না। তাদের কাছেই নাটকের উৎসাহ পেয়েছি, নাটক লিখেছি। হাজার হাজার মানুষ আমার সেই নাটক দেখেছেন।"
ক্যানসারে আক্রান্ত এই নাট্যকার বলেন, "বাচ্চু ভাই আমাকে পুত্রের মত ভালোবাসেন। হয়তো ভেবেছেন, আর যদি না দেওয়া যায়। এই পদক পেয়ে আমি ভীষণ খুশি। মরে গিয়েও শান্তি পাব।"
পদক প্রদানের পর মঞ্চায়িত হয় সেলিম আল দীনের লেখা নাটক 'নিমজ্জন'। এটি নির্দেশনা দিয়েছেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ।