২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬ আশ্বিন ১৪৩৩

শেষ ইচ্ছা মেনে সন‌্জীদা খাতুনের দেহ দান

“এটা সন‌্জীদা খাতুনের ২৭ বছর আগের সিদ্ধান্ত। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিবারের সবাই মরদেহ হস্তান্তরের ব্যাপারে সম্মত হই।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 27 Mar 2025, 06:46 PM

Updated : 10 Sep 2026, 12:37 PM

বাঙালি সংস্কৃতির বাতিঘর হয়ে জীবনভর তিনি ছড়িয়ে গেছেন আলো, ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সভাপতি সন‌্জীদা খাতুন তার দেহখানিও দান করে গেছেন অঙ্গ প্রতিস্থাপন আর গবেষণার জন্য। 

শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তার মরদেহ বৃহস্পতিবার ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (পিজি) দান করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন সন‌্জীদা খাতুনের ছেলে পার্থ তানভীর নভেদ।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “এটা সন‌্জীদা খাতুনের ২৭ বছর আগের সিদ্ধান্ত। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিবারের সবাই মরদেহ হস্তান্তরের ব্যাপারে সম্মত হই। আজকে দান করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।”

বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে কিংবদন্তিতুল্য, গবেষকের চোখে বিস্ময় জাগানিয়া ব্যক্তিত্ব ছিলেন সন‌্জীদা খাতুন, যার জীবন কেটেছে গানে গানে বাঙালির আত্ম পরিচয়ের সুলুক সন্ধানে।

ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় জীবনের এই বিপুল যাত্রা সাঙ্গ করেন তিনি।

সেদিন রাতে সন‌্জীদা খাতুনের মরদেহ হিমঘরে রাখা হয়, বুধবার দুপুরে তার কফিন নেওয়া হয় ছায়ানট ভবনে। সেখানে গানে গানে তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান ছায়ানটের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।  

সেখান থেকে সন‌্জীদা খাতুনের মরদেহ নেওয়া হয় তার সাবেক কর্মস্থল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে। তারপর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তাকে শেষ বিদায় জানান শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী ও সর্বস্তরের মানুষ। 

এরপর বুধবার রাতে মরদেহ রাখা হয় হাসপাতালের হিমঘরে। বৃহস্পতিবার পরিবারের সদস্যরা বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

পুরনো খবর

শহীদ মিনার থেকে হাসপাতালের হিমঘরে সন‌্জীদা খাতুন

প্রিয় ছায়ানটে অশ্রু-গানে সন‌্জীদা খাতুনের শেষ বিদায়

সন‌্জীদা খাতুন: কীর্তিময়ী এক আলোকবর্তিকার প্রয়াণ

সন্‌জীদা খাতুনের চিরপ্রস্থান