১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ছায়ানটে বর্ষার অনুষ্ঠানে সুফিয়া কামালকে স্মরণ

ছায়ানটে প্রকৃতির রূপবৈচিত্র্য ফুটে ওঠে গানের সুরে আর তালে।

ছায়ানটে বর্ষার অনুষ্ঠানে সুফিয়া কামালকে স্মরণ
ছায়ানটে বর্ষার অনুষ্ঠান।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 21 Jun 2025, 12:14 AM

Updated : 26 Aug 2026, 01:14 PM

দিনভর মেঘলা আকাশ, গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি; বর্ষার দিনের এই চিরায়ত রূপ গান-কবিতার ছন্দে ফুটে উঠল ছায়ানটে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় সেখানে বর্ষার অনুষ্ঠানে রাগসংগীতের সুরে মাতেন শিল্পীরা, স্মরণ করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি সুফিয়া কামালকে।

ধানমণ্ডির ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবন মিলনায়তনে সন্ধ্যা ৭টায় ইফফাত আরা দেওয়ানের কণ্ঠে ‘আজি ঝড়ের রাতে তোমার অভিসার’ গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। বর্ষার আবহ, প্রেমের প্রতীক্ষা আর প্রকৃতির রহস্যের ধুম্রজাল তৈরি হয় গানের সুর, তাল ও ছন্দে।

এরপর রাগসংগীত নিয়ে মঞ্চে আসেন উষসী নাগ। তিনি পরিবেশন করেন ‘শুদ্ধসারং’। শ্রাবন্তী ধর গেয়ে শোনান ‘ঝরো ঝরো বারি ঝরে অম্বর ব্যাপিয়া’। সুদীপ্ত শেখর দে পরিবেশন করেন রাগসংগীত ‘দেশ’। আর সত্যম কুমার দেবনাথের কণ্ঠে শোনা যায় ‘এসো শ্যামলসুন্দর’।

প্রকৃতির রূপবৈচিত্র্য ফুটে ওঠে গানের সুরে আর তালে। অনুষ্ঠান সাজানো হয় মূলত বর্ষার রাগ ও সংগীতে।

সেখানে স্বপ্না সাহা পরিবেশন করেন রাগ ছায়ানট, আর সিরাজুম মুনীরা পরিবেশন করেন রাগ কেদার। এ ছাড়া নুসরাত জাহান রুনা শোনান ‘বহু যুগের ওপার হতে’, সেজুঁতি বড়ুয়া শোনান ‘গোধূলী গগনে মেঘে’। প্রিয়ন্তু দেব শোনান ‘মেঘমেদুর বরষায়’, সমুদ্র শুভম পরিবেশন করেন রাগ জয়জয়ন্তী।

অনুষ্ঠানে দর্শক-শ্রোতাদের সুরের খেয়ায় ভাসিয়ে নিয়ে যায় তাহমিদ ওয়াসিফ ঋভুর ‘আমার দিন ফুরালো’, রিফাত আহমেদ ইমনের ‘দেশমল্লার’ এবং মিনহাজুল হাসান ইমনের ‘রামদাসীমল্লার’ সংগীত।

মনীষ সরকার গেয়ে শোনান ‘ঝর ঝর ঝরে শাওন ধারা’, ফারজানা আক্তার পপির কণ্ঠে শোনা যায় ‘ঝড়ো ঝড়ো বরিষে বারিধারা’, আফরোজা রুপা পরিবেশন করেন ‘মেঘমল্লার’।

অনুষ্ঠানের শেষভাগের পরিবেশনায় ছিল সুশ্মিতা দেবনাথ সুচি শোনান ‘বরষা ওই এলো বরষা’। অনন্যা আচার্যের কণ্ঠে ‘মিয়াকিমল্লার’ এবং শারমিন সাথী ইসলাম ময়নার কণ্ঠে ‘চঞ্চল শ্যামলে এলো গগনে’।

অনুষ্ঠানের পর্দা নামে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে।