০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
কয়েক ঘণ্টার টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। মাত্র ৩ ঘণ্টায় ৫১ মিমি বৃষ্টিতে গোলপাহাড় থেকে চমেক পর্যন্ত সড়ক পানিতে ডুবে যায়। খালের চলমান কাজ ও অস্থায়ী বাঁধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। মেয়র জানিয়েছেন, ১৫ মে’র মধ্যে কাজ শেষ হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
ধারাবাহিকভাবে আট থেকে আট দশমিক পাঁচ কিলোমিটার খাল পরিষ্কার ও খননের পরিকল্পনা করেছে জেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় রাজধানীতে ৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
“জন্মের পর থেকেই এই গ্রামের রাস্তার এমন অবস্থা দেখে আসছি”, বলেন ৭০ বছরের সিরাজুল ইসলাম।
এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘আমরা ক’জন’ শিল্পীগোষ্ঠী ও ‘ঋদ্ধ সৃজন’।
“বড় নৌকার চেয়ে ছোট ডিঙি ও কোশা নৌকার চাহিদা বেশি। প্রতিটি ১০ থেকে ১২ হাতের নৌকা বানাতে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়।”
রাজধানী ইসলামাবাদ ও পাঞ্জাবের মধ্যাঞ্চলে ২৪ জুলাই পর্যন্ত ভারি বৃষ্টির পুর্বাভাস দিয়ে সম্ভাব্য বন্যার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
টানা বর্ষণে ফেনীর ফুলগাজী, পরশুরামের মুহুরী, কহুয়া, সিলোনিয়া নদীর তীররক্ষা বাঁধের পুরোনো ভাঙন দিয়ে পানি ঢুকে শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। আটকে পড়াদের মানুষ উদ্ধারে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী ও বিজিবি।