তৃষাণজিৎ সিনেমায় আসলে, চট্টোপাধ্যায় পরিবারের তিন প্রজন্মের বিচরণ শুরু হবে চলচ্চিত্র জগতে।
Published : 03 Apr 2025, 07:44 PM
যুগ যুগ ধরে বলিউড শাসন করা অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের দেখানো পথে হাঁটতে চলেছেন কলকাতার তারকাভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনিও তার একমাত্র ছেলেকে নিয়ে আসছেন সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে।
আর এই মধ্য দিয়ে চট্টোপাধ্যায় পরিবারের তিন প্রজন্মের বিচরণ শুরু হতে চলেছে চলচ্চিত্র জগতে।
আনন্দবাজার লিখেছে, প্রসেনজিৎ ও অভিনেত্রী অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়ের ছেলে তৃষাণজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের অভিষেক হতে চলেছে সিনেমায়।
তবে কোন পরিচালকের হাতে তার হাতেখড়ি হবে বা কোন নায়িকার সঙ্গে এই তরুণ পর্দা ভাগ করে নেবেন, সে বিষয়ে কিছু জানায়নি কলকাতার এই বাংলা দৈনিক।
ইদানিং প্রায়ই বিনোদন দুনিয়ার অনুষ্ঠাগুলোয় বাবার সঙ্গে তৃষাণজিৎকে দেখা যাচ্ছে। এমনও দেখা গেছে কোনো অনুষ্ঠানে বাবা যাননি কিন্তু ছেলে গেছেন। সেইসব ছবি সোশাল মিডিয়ায় প্রসেনজিৎই পোস্ট করেছেন।
তবে এই খবরের শুরু সৃজিত মুখার্জির একটি সিনেমার শুটিং সেট থেকে। ওই সেটে তৃষাণজিৎকে দেখতে পাওয়ার পর থেকে খবর ছড়ায় যে, সিনেমায় আসছেন প্রসেনজিৎ পুত্র।
বাংলা ও হিন্দি সিনেমার অভিনেতা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের একমাত্র ছেলে প্রসেনজিৎ।
ষাটের দশকে সিনেমায় আসা বিশ্বজিতের। এরপর দুই ভাই’, ‘চৌরঙ্গী’, ‘শ্রীমান পৃথ্বীরাজ’ থেকে শুরু করে ঋত্বিক ঘটকের তথ্যচিত্র ‘দুর্বার গতি পদ্মা’তে কাজ করেছেন তিনি। প্রশংসা পেয়েছেন নায়ক এবং অভিনেতা হয়ে। হয়েছিলেন সুচিত্রা সেনের নায়কও।
বাবার হাত ধরে প্রসেনজিতের অভিনয়ে আসা। ১৯৬৮ সালে ‘ছোট্ট জিজ্ঞাসা’ সিনেমায় দুজনে বাবা-ছেলে হয়ে ক্যামেররা সমানে দাঁড়ান। প্রসেনজিতের তখন চারবছর বয়স।
আর ১৯৮৭ সালে সুজিত গুহের ‘অমর সঙ্গী’তে অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি পান তিনি। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি এই নায়ককে, একের পর এক হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন ভক্তদের।
তবে প্রসেনজিৎকে 'অভিনেতা' হিসেবে তুলে ধরেন প্রয়াত নির্মাতা ঋতুপর্ণ ঘোষ ২০০৩ সালে 'চোখের বালি' সিনেমায়। এর পর থেকে ধীরে ধীরে বাণিজ্যিক সিনেমা থেকে দূরে সরে যান অভিনেতা।
২০১০ সালে নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির হাত ধরে 'অটোগ্রাফ' সিনেমা এবং পরবর্তীতে একের পর এক গল্প ও চরিত্র নির্ভর সিনেমা করে নিজেকে 'অন্য মাত্রায়' তুলে ধরেছেন এই অভিনেতা।