আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিদেশি পরিচালক কতজন হবে, জানাল বাংলাদেশ ব্যাংক
সার্কুলারে বলা হয়েছে, তাদের হাতে থাকা শেয়ারের অনুপাত অনুযায়ী সর্বোচ্চ সংখ্যা ঠিক করা হবে।
ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিদেশি শেয়ারধারীদের মধ্যে কতজন পরিচালক হতে পারবেন তা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বুধবার এ বিষয়ে সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, এনবিএফআই এ বিদেশি শেয়ারধারীদের হাতে থাকা শেয়ারের অনুপাত অনুযায়ী সর্বোচ্চ সংখ্যক পরিচালক ঠিক করা হবে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, পরিচালকের সংখ্যা উক্ত কোম্পানিতে তাদের ধারণ করা শেয়ার অনুপাতে নির্ধারিত হবে।
এর ব্যাখ্যায় বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগের পরিচালক আসাদুজ্জামান খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, কোনো কোম্পানির পর্ষদে যদি পরিচালক সংখ্যা ১০ জন হয় এবং সেটিতে বিদেশি মালিকানায় ৫০ শতাংশ শেয়ার থাকে, তাহলে বিদেশিরা আনুপাতিক হারে পাঁচজন পরিচালক হতে পারবেন।
আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন অনুযায়ী, একটি এনবিএফআইতে যেকোনো সময়ে কোনো ব্যক্তি বা পরিবার বা তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট পক্ষ পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক হতে পারেন। এক পরিবার থেকে সর্বোচ্চ দুইজন পরিচালক হওয়ার সুযোগ রাখা হয় আইনে।
কিন্তু আইনে শেয়ার ধারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বেলায় এ সীমা রাখা হয়নি। সর্বোচ্চ সীমা কত হবে তা এ সার্কুলারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারণ করে দিল।
আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন ২০২৩ অনুযায়ী, কোনো কোম্পানিতে দুইজন স্বতন্ত্রসহ সর্বোচ্চ ১৫ জন পরিচালক হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
আইনের ১৫ নং ধারার ১(ক) অনুযায়ী, ‘‘শতকরা ৫ (পাঁচ) ভাগের অধিক শেয়ারের অধিকারী হইলে উক্ত পরিবারের সদস্যগণের মধ্য হইতে অনধিক দুইজন পরিচালক থাকিতে পারিবেন; এবং (খ) ন্যূনতম শতকরা ২ ভাগ হইতে শতকরা ৫ ভাগ শেয়ারের অধিকারী হইলে উক্ত পরিবারের সদস্যগণের মধ্যে হইতে একজন পরিচালক থাকিতে পারিবেন।
“তবে শর্ত থাকে যে, বিদেশি শেয়ারহোল্ডার কর্তৃক শেয়ারধারনের বিপরীতে পরিচালক সংখ্যা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক র্নিধারিত হইবে।”
আর্থিক প্রতিষ্টান আইনে একজন পরিচালকের মেয়াদ তিন বছর রেখে সর্বোচ্চ এক টানা ৯ বছর পরিচালক থাকার সুযোগ রয়েছে।
