জাহাজভাঙা শ্রমিকদের বেতন-বোনাস ২০ রোজার মধ্যে পরিশোধের দাবি

ঈদ বোনাস, মার্চ মাসের পূর্ণ বেতন এবং এপ্রিল মাসের আংশিক বেতন চান তারা।

চট্টগ্রাম ব্যুরোবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 22 March 2024, 01:22 PM
Updated : 22 March 2024, 01:22 PM

বিশ রোজার আগে জাহাজ ভাঙা শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের দাবি জানিয়েছে শ্রমিক সংগঠন জাহাজভাঙা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফোরাম।

শুক্রবার বিকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে অনুষ্ঠিত মানবন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

ফোরামের সভাপতি তপন দত্ত বলেন, “জাহাজভাঙা খাতে ২০১৮ সালে ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করেও ন্যায্য মজুরি থেকে জাহাজভাঙা শ্রমিকরা প্রতিনিয়ত বঞ্চিত হচ্ছে।

“রমজান মাস এবং ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তাদের যে বাড়তি খরচ প্রয়োজন হয়- তা মিটানোর জন্য প্রত্যেক শ্রমিককে ঈদবোনাস দেওয়া জরুরি।”

জাহাজভাঙা শ্রমিকরা বর্তমানে যে মজুরি পান তা দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা কষ্টকর মন্তব্য করে চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সভাপতি ও ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক এম নাজিম উদ্দিন বলেন, “ঈদ বোনাস মালিকের দান বা ভিক্ষা নয়, বরং এটা শ্রম আইন ও বিধি দ্বারা সুরক্ষিত প্রত্যেক শ্রমিকের অধিকার। শ্রমিকদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হলে তা শিল্পের জন্য সুফল বয়ে আনতে পারে না।”

বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালার বিধি ১১১(৫) অনুসারে মূল বেতনের সমপরিমাণ ঈদ বোনাস, মার্চ মাসের পূর্ণ বেতন এবং এপ্রিল মাসের আংশিক বেতন ২০ রোজার মধ্যে পরিশোধের জন্য মালিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয় মানববন্ধন থেকে। পাশাপাশি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাহাজভাঙা শ্রমিক সেফটি কমিটির আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মাহমুদ, জাহাজভাঙা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফোরামের সদস্য মাহাবুবুল আলম, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শ ম জামাল, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম চৌধুরী, বাংলাদেশ মুক্ত শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি কাজী আলতাফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নুরুল আবসার, জাহাজভাঙা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফোরামের কোষাধ্যক্ষ রিজওয়ানুর রহমান খান, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল হক শিমুল, বাংলাদেশ মেটাল ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক মো. আলী, বাংলাদেশ ফ্রি ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কে এম শহিদুল্লাহ।